• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: পাচারকারীদের ২০ আস্তানা ধ্বংস, অপহৃত কিশোর উদ্ধার টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৬ লাখ ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফের উত্তর চৌধুরীপাড়ার আয়াছ ও রফিক আটক: টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার চেইন্দায় মাইনুদ্দীন রাসেল হত্যা মামলার পলাতক আসামি শাহজাহান গ্রেপ্তার টেকনাফের কচ্ছপিয়ায় নতুন পুলিশ ফাঁড়ির জায়গা পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী সন্তানের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত বাবা, অবশেষে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ফেনীর ৪ তরুণ অপহরণ মামলার আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার পেকুয়ার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার টেকনাফের নয়া বাজারের রিদুয়ান অটোর লাইটে ১ হাজার ইয়াবাসহ রেজুখাল চেকপোস্টে আটক রাজধানীতে ককটেল ফুটিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, আটক ২

মামলার জালে দুই দল: ২০ বছরে বিএনপি দেড় লাখ, ২০ মাসে আওয়ামী লীগ লক্ষাধিক

নিউজ ডেস্ক। / ৩১০ Time View
Update : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

২০ বছরে বিএনপির বিরুদ্ধে দেড় লাখ মামলা, আর আওয়ামী লীগর বিরুদ্ধে মাত্র ২০ মাসেই লক্ষাধিক মামলা—এই তুলনাটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ও রাজনৈতিক হয়রানির একটি চরম উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
বিএনপির ক্ষেত্রে:

২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত (প্রায় ১৮ বছর) বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মামলা হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে এ তথ্য দিয়েছেন। বিএনপির দাবি অনুসারে এগুলো মূলত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলা, যাতে আসামির সংখ্যা লাখ লাখ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। অনেক নেতা-কর্মীকে একাধিক মামলায় জড়িয়ে দীর্ঘদিন জেলে রাখা হয়েছে, আন্দোলন দমন করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে:

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের (প্রায় ২০ মাসের মধ্যে) আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে লক্ষাধিক (১ লাখেরও বেশি) মামলা দায়ের হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়।
সরকার পতনের পরপরই জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ইত্যাদি অভিযোগে বিপুল সংখ্যক মামলা হয়।
একটি রিপোর্ট অনুসারে, প্রথম কয়েক মাসেই ১,১৮১টি FIR-এ প্রায় ৯৮ হাজার আসামি করা হয় (যার মধ্যে অনেকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী)।
শেখ হাসিনার নামে একাই ১০০টির বেশি মামলা, সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অন্যান্য মামলা চলছে। অনেক ক্ষেত্রে গণ-অভিযোগ আকারে শত শত নাম একসঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

তুলনামূলক চিত্র:

বিএনপি: ১৮-২০ বছরে ~১.৪৩ লাখ মামলা (প্রতি বছর গড়ে ~৭-৮ হাজার)।
আওয়ামী লীগ: মাত্র ২০ মাসে লক্ষাধিক মামলা (প্রতি মাসে গড়ে ৫ হাজারেরও বেশি)।
এই তুলনা দেখায় যে, ক্ষমতায় থাকাকালীন একদল যেভাবে বিরোধীদের বিরুদ্ধে গায়েবি ও হয়রানিমূলক মামলার জাল বিছিয়েছিল, ক্ষমতার বাইরে গিয়ে সেই দলটিই এখন একই ধরনের (বা আরও তীব্র) প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে।
রাজনীতিতে প্রতিশোধের চক্র চলতে থাকলে দেশের আইনের শাসন, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্র সবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সব রাজনৈতিক মামলা যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্যিকারের অপরাধীদের বিচার—এটাই একমাত্র সুস্থ পথ। অন্যথায় এই চক্র কেবল ঘুরপাক খেতে থাকবে।
এটি কোনো দলের পক্ষ-বিপক্ষ নয়, বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতির অসুস্থতারই প্রতিফলন বলে দেখছেন রাজনৈতিক  বিশেষজ্ঞরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd