• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ভ্যানচালক স্বামীর সংসারে লড়াই থেকে আজ সফল উদ্যোক্তা: বদলে যাওয়া মরিয়মের গল্প অন্যকে মা-বাবা সাজিয়ে এনআইডি-পাসপোর্ট তৈরি, রাঙ্গুনিয়ায় ফয়সাল আটক নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪০ হাজার বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করল ৩৪ বিজিবি আজ ৩ নভেম্বর ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবস: কারাগারের ঘেরাটোপে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল জাতীয় চার নেতার জীবন কক্সবাজারে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ব্যবসায়ী আলী আহমদ কোম্পানি টেকনাফের বড়ইতলীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা ও সিএনজি জব্দ ঈদগাঁওতে ড্রেজারে অবৈধ বালি উত্তোলন: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও মেশিন জব্দ গর্ভনিরোধক বড়ি শুধু নারীদের নয়, এবার আসছে পুরুষদের জন্যেও দৈনিক ‘নিউ এজ’র কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হলেন তারেকুর রহমান টেকনাফে এসআরবি-বিজিবির যৌথ অভিযান, ১ লাখ ২৯”হাজার ৬০০ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

টেকনাফে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: পাচারকারীদের ২০ আস্তানা ধ্বংস, অপহৃত কিশোর উদ্ধার

মিসবাহ উল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা। / ১৪৩ Time View
Update : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মিসবাহ উল্লাহ, টেকনাফ প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফে মানব পাচারবিরোধী এক ব্যাপক যৌথ অভিযান চালিয়ে অপহৃত ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে দুই মানব পাচারকারীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাহাড়ি অঞ্চলে চালানো সাঁড়াশি অভিযানে পাচারকারীদের ২০টি গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

​পুলিশ ও অভিযান সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর চকরিয়ার ডুলাহাজারা এলাকা থেকে শাহরিয়া নোমান নাঈম (১৬) নামের এক কিশোরকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে পাচারকারীরা। তাকে টেকনাফের রাজারছড়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকার এক গোপন আস্তানায় আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নির্দেশে এসআই সৈকত মজুমদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল রাজারছড়ায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। উক্ত স্থান থেকে অপহৃত কিশোরকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের পাশাপাশি তৌহিদুল আলম (২২) ও আবু ছাদেক (২৫) নামের দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়।

​পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত টেকনাফ থানা পুলিশ ও ২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন যৌথভাবে রাজারছড়া ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় এক চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে মানব পাচারে ব্যবহৃত ও আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত প্রায় ২০টি ঘর শনাক্ত করে তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

​আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকাকে কাজে লাগিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তরুণ ও কিশোরদের প্রলোভন দেখিয়ে এনে অপহৃত করে রাখত। সীমান্ত দিয়ে মানব পাচারের এই সিন্ডিকেট পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd