• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ভ্যানচালক স্বামীর সংসারে লড়াই থেকে আজ সফল উদ্যোক্তা: বদলে যাওয়া মরিয়মের গল্প অন্যকে মা-বাবা সাজিয়ে এনআইডি-পাসপোর্ট তৈরি, রাঙ্গুনিয়ায় ফয়সাল আটক নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪০ হাজার বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করল ৩৪ বিজিবি আজ ৩ নভেম্বর ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবস: কারাগারের ঘেরাটোপে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল জাতীয় চার নেতার জীবন কক্সবাজারে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ব্যবসায়ী আলী আহমদ কোম্পানি টেকনাফের বড়ইতলীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা ও সিএনজি জব্দ ঈদগাঁওতে ড্রেজারে অবৈধ বালি উত্তোলন: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও মেশিন জব্দ গর্ভনিরোধক বড়ি শুধু নারীদের নয়, এবার আসছে পুরুষদের জন্যেও দৈনিক ‘নিউ এজ’র কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হলেন তারেকুর রহমান টেকনাফে এসআরবি-বিজিবির যৌথ অভিযান, ১ লাখ ২৯”হাজার ৬০০ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

ভ্যানচালক স্বামীর সংসারে লড়াই থেকে আজ সফল উদ্যোক্তা: বদলে যাওয়া মরিয়মের গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:

​এমন একটা সময় গেছে, যখন ছেলেমেয়েদের তিন বেলা ভাত দিতে পারি নাই। এক মুঠা ভাত দিলে আরেক মুঠা কম পড়ত। এমনকি মাঝে মাঝে উপোসও থাকা লাগত। কথাগুলো বলতে গিয়ে আজও কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে মরিয়ম বেগমের।

​বলছিলাম, কক্সবাজারের উত্তর নুনিয়ারছড়ার পানিরকূপ পাড়ার বাসিন্দা মরিয়ম বেগম। স্বামী নুরুল আলম ও পাঁচ মেয়ে, দুই ছেলেসহ সাত সন্তান নিয়ে প্রায় ৪০ বছর ধরে এখানেই বসবাস করছেন। ভ্যানচালক স্বামীর সামান্য আয়ে নয়জনের সংসার চালাতে গিয়ে তার জীবনের অনেকটা সময় কেটেছে তীব্র অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই করে। যে পরিবারে দুবেলা খাবার জোগাড় করাই ছিল কঠিনতম সংগ্রাম, সেই মরিয়ম আজ শুধু নিজের ভাগ্যই বদলাননি, এলাকার শত শত নারীকেও করেছেন স্বাবলম্বী।

​সংগ্রামের দিনগুলো:

জীবিকার তাগিদে সংসারের সব চাপ সামλε কাজের খোঁজে হন্যে হয়ে ছুটে বেড়াতেন মরিয়ম। সমুদ্রসৈকত থেকে শামুক-ঝিনুক কুড়িয়ে তা দিয়ে মালা, চুড়ি ও নানা শৌখিন সামগ্রী বানিয়ে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতেন। এভাবেই কষ্টেসৃষ্টে কাটছিল তার দিনগুলো।

​যেভাবে মোড় ঘোরে জীবনের:

২০১৬ সালের এক দিনে সৈকতে শামুক কুড়ানোর সময় মরিয়মের চোখে পড়েন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কিছু গবেষক, যারা সাগরে শৈবাল চাষ নিয়ে কাজ করছিলেন। কৌতূহলী মরিয়ম ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে তাদের চাষপদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করেন। গবেষকেরাও তার গভীর আগ্রহ দেখে তাকে শৈবাল সংগ্রহ ও চাষে উৎসাহিত করেন।

​শুরুতে কাজটি সহজ ছিল না, ছিল স্বামীর তীব্র অসহযোগিতাও। তবে নিজের অদম্য কৌতূহল ও গবেষকদের সহায়তায় মাত্র ১০টি রশিতে শৈবাল চাষ শুরু করেন তিনি। পরের বছর রশির সংখ্যা বাড়িয়ে করেন ২০টি। কাজের পরিসর ও বেচাকেনা বাড়লে একপর্যায়ে স্বামীর সহযোগিতাও পান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd