• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৬ লাখ ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফের উত্তর চৌধুরীপাড়ার আয়াছ ও রফিক আটক: টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার চেইন্দায় মাইনুদ্দীন রাসেল হত্যা মামলার পলাতক আসামি শাহজাহান গ্রেপ্তার টেকনাফের কচ্ছপিয়ায় নতুন পুলিশ ফাঁড়ির জায়গা পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী সন্তানের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত বাবা, অবশেষে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ফেনীর ৪ তরুণ অপহরণ মামলার আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার পেকুয়ার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার টেকনাফের নয়া বাজারের রিদুয়ান অটোর লাইটে ১ হাজার ইয়াবাসহ রেজুখাল চেকপোস্টে আটক রাজধানীতে ককটেল ফুটিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, আটক ২ ঘুমধুমে ২০ হাজার ইয়াবাসহ এফডিএমএন সদস্য আটক

সন্তানের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত বাবা, অবশেষে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস

মিসবাহ উল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা। / ১৪ Time View
Update : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মিসবাহ উল্লাহ, টেকনাফ প্রতিনিধি:

পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজ সন্তানের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর আবুল কাসেম প্রকাশ লেডু মিস্ত্রি নামের এক বৃদ্ধ বাবার করুণ মৃত্যু হয়েছে। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

​সম্প্রতি টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত পাহাড় ঘেঁষা হামজারছড়া এলাকায় এ হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। নিহত আবুল কাসেম পেশায় একজন প্রবীণ কারিগর ছিলেন।

​স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে কাসেমের সঙ্গে তাঁর ছেলের বাগবিতণ্ডা হয়। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে চরম উত্তেজিত হয়ে ঘর থেকে ধারালো ছুরি এনে বাবার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ছেলের নৃশংস ছুরিকাঘাতে লেডু মিস্ত্রির শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং তিনি রক্তাপ্লুত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

​পরে পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয়রা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে আঘাত গুরুতর ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় চিকিৎসক তাঁকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

​সন্তানের হাতে বাবার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এটিকে সামাজিক ও পারিবারিক অবক্ষয়ের চরম দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে অভিযুক্ত ছেলের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

​এ বিষয়ে টেকনাফ থানা-পুলিশ জানায়, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছে। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd