• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: পাচারকারীদের ২০ আস্তানা ধ্বংস, অপহৃত কিশোর উদ্ধার টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৬ লাখ ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফের উত্তর চৌধুরীপাড়ার আয়াছ ও রফিক আটক: টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার চেইন্দায় মাইনুদ্দীন রাসেল হত্যা মামলার পলাতক আসামি শাহজাহান গ্রেপ্তার টেকনাফের কচ্ছপিয়ায় নতুন পুলিশ ফাঁড়ির জায়গা পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী সন্তানের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত বাবা, অবশেষে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ফেনীর ৪ তরুণ অপহরণ মামলার আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার পেকুয়ার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার টেকনাফের নয়া বাজারের রিদুয়ান অটোর লাইটে ১ হাজার ইয়াবাসহ রেজুখাল চেকপোস্টে আটক রাজধানীতে ককটেল ফুটিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, আটক ২

১৭৫ দিন পর জেল থেকে মুক্ত আ.লীগ চেয়ারম্যান, জেলগেটে মালা পরালেন বিএনপির এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৬০ Time View
Update : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

দীর্ঘ ১৭৫ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ম. ম. সিদ্দিক মিয়া। জেলগেটে বিএনপির এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করলেন।

ফরিদপুর:
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা ও ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিয়া (৫৭) দীর্ঘ ১৭৫ দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) দুপুরে ফরিদপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর জেলগেটে তাকে ফুলের মালা পরিয়ে স্বাগত জানান ফরিদপুর-৪ আসনের (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম বাবুল।

এ সময় দুজন একে অপরকে ফুলের মালা পরিয়ে দেন। ম. ম. সিদ্দিক মিয়া ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) সংসদীয় আসন থেকে কেটে নিয়ে ফরিদপুর-৪ আসনে যুক্ত করার প্রতিবাদে গড়ে ওঠা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ইউনিয়ন রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে পরিচিত।
মুক্তির পর ম. ম. সিদ্দিক মিয়া বলেন, “আমার জেলমুক্তির জন্য নবনির্বাচিত এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
এদিকে, বিএনপির এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুলও তার ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এ ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন বলে জানা যায়। এ ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরও ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও সৌজন্যের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd