• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফের নয়া বাজারের রিদুয়ান অটোর লাইটে ১ হাজার ইয়াবাসহ রেজুখাল চেকপোস্টে আটক রাজধানীতে ককটেল ফুটিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, আটক ২ ঘুমধুমে ২০ হাজার ইয়াবাসহ এফডিএমএন সদস্য আটক টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কে ট্যুরিস্ট জিপ উল্টে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ লোহাগাড়ায় গ্রেপ্তার উখিয়ার তাঁতীদল নেতা আশেক হ্নীলা রঙ্গিখালীর ‘কথিত সাংবাদিক’ নুরুল আলম আনোয়ারায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার মায়ানমারে পাচারের সময় ৩ ট্রাক ইউরিয়া সারসহ দুই পাচারকারী আটক উখিয়ার ক্যাম্প-৭ থেকে আরসা সদস্য মাহমুদুল হাসান গ্রেপ্তার: অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেরিন ড্রাইভে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ‘ডাকাত’ আটক: টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির বড় সফলতা: ৪২ কোটি টাকার ১৪ লাখ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

রক্ষকই ভক্ষক: টেকনাফে সংরক্ষিত বনের শত শত গাছ কেটে বন কর্মচারী ইউসুফের রাজত্ব

মিসবাহ উল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা। / ৩৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

টেকনাফ প্রতিনিধি (মিসবাহ উল্লাহ):

বনের রক্ষক নিজেই যখন ভক্ষকের ভূমিকায় নামেন, তখন প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে। কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের টেকনাফস্থ হোয়াইক্যং ও শামলাপুর বিটের পাহাড়ি সীমান্তে ঠিক এমন চিত্রই দেখা গেছে। মনতলিয়া বিটে কর্মরত মুন্সি মোহাম্মদ ইউসুফের বিরুদ্ধে সংরক্ষিত বনের শত শত গাছ কেটে সাবাড় করা এবং পাহাড়ি জমি দখলের একচ্ছত্র সাম্রাজ্য গড়ে তোলার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে।

​স্থানীয় অধিবাসী ও সরেজমিন সূত্রে জানা যায়, শামলাপুর-হোয়াইক্যং ঢালা সড়কের মনখালী খাল সংলগ্ন ‘ওজন বনিয়া’ পাহাড়ে এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে। হোয়াইক্যং ও শামলাপুর—এই দুই বিটের সীমান্ত এলাকা হওয়ার কারণে যে প্রশাসনিক শিথিলতা থাকে, তা কাজে লাগিয়ে ইউসুফ গত এক বছর ধরে অসাধু কাঠ ব্যবসায়ীদের সাথে মিলে সরকারি বনের গাছ উজাড় করছেন।

​বিশেষ করে গত ৩০ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা তিন দিন আধুনিক পাওয়ার ট্রিমার ও প্রযুক্তিভিত্তিক করাত ব্যবহার করে দিনদুপুরে এবং রাতের আঁধারে শত শত ছোট-বড় গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।

​অভিযোগ রয়েছে, ইউসুফ কেবল বৃক্ষ নিধনেই থামেননি; বনবিভাগের কর্মচারী পদের সুযোগ নিয়ে তিনি টাকার বিনিময়ে সরকারি পাহাড়ি জমি অবৈধভাবে কেনাবেচা ও দখলের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটও পরিচালনা করছেন। বনজ সম্পদ চুরি ও পাহাড় কাটার বিষয়ে স্থানীয়রা একাধিক লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানালেও তিনি রহস্যজনকভাবে অধরা রয়ে গেছেন।

​এভাবে নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে এলাকার বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য চরম হুমকিতে পড়েছে। বর্ষাকালে উজার হওয়া পাহাড়গুলোতে মারাত্মক ভূমিধসের আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা। টেকনাফের স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন ও সচেতন নাগরিক সমাজ অবিলম্বে মুন্সি মোহাম্মদ ইউসুফসহ পুরো চক্রকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

​এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে হোয়াইক্যং ও শামলাপুর বিট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি বনসম্পদ ধ্বংসকারী কারোর ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। উত্থাপিত অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd