নিজস্ব প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী মৌজায় জমির মালিকানা ও দখলকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় একই এলাকার গোল ছাবেরা চৌধুরানীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে খানে আলম চৌধুরী গং ও রোজিনা আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে ঈদগাঁওয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বিরোধপূর্ণ জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই, অবৈধ দখল বা যেকোনো বেআইনি কার্যক্রম বন্ধ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খুটাখালী মৌজায় বি.এস. খতিয়ান নং-১৫৩-এর অন্তর্ভুক্ত ৪৮ কড়া জমিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগকারীর দাবি, উক্ত জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে তার সঙ্গে খানে আলম চৌধুরী গং ও রোজিনা আক্তারের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।
অভিযোগকারী বলেন, জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র, খতিয়ান, দাগ নম্বর ও ভূমি রেকর্ড যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিরোধপূর্ণ জমিতে কোনো ধরনের জবরদখল, অনিয়ম বা বেআইনি কার্যক্রম হয়ে থাকলে তা বন্ধে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে সৃজিত দুইটি নামজারি খতিয়ান বাতিল করা হয়েছে/হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ। তিনি ওই দুইটি নামজারি খতিয়ান বাতিল করে তাতে অন্তর্ভুক্ত জমি প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
এ সময় অভিযোগকারী আরও বলেন, জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য দ্রুত তদন্ত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।