• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রামুর গর্জনিয়া সীমান্তে ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল চোরাকারবারিরা বঙ্গবন্ধুর অবদান অতুলনীয়, তবে দুঃশাসন আড়াল করার সুযোগ নেই: আসিফ নজরুল দৈনিক খবর কক্সবাজার-এ প্রতিবেদনের পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন: জালিয়া পালংয়ে হোছাইন-শামসুর ড্রেজারে হানা, ৬ হাজার সিএফটি বালু জব্দ কক্সবাজার আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঈদগাঁও বাস স্টেশন ও বাজারে সড়ক দখল, চরম ভোগান্তিতে পথচারী-রোগীরা কক্সবাজারের উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল পাচারকারী উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে এক লাখ ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার কেরুনতলীতে কোস্ট গার্ডের হানা: ৩৫ লাখ টাকার ইয়াবাসহ আটক ১ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি চকরিয়ায় বাস-জিটু গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

দৈনিক খবর কক্সবাজার-এ প্রতিবেদনের পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন: জালিয়া পালংয়ে হোছাইন-শামসুর ড্রেজারে হানা, ৬ হাজার সিএফটি বালু জব্দ

মিসবাহ উল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা। / ২২ Time View
Update : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

টেকনাফ প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের ছেফটখালী (সেভেটখালী) খালে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন ও বসতভিটা ধ্বংসের বিরুদ্ধে অবশেষে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন।
​জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম ‘দৈনিক খবর কক্সবাজার’-এ সচিত্র ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশের পর পরই নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। এর প্রেক্ষিতে জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ছেফটখালি এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড-এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
​অভিযানকালে চিহ্নিত বালু ব্যবসায়ী হোছাইন ও তার সহযোগী মনখালীর শামসু আলমের অবৈধভাবে স্তূপ করে রাখা প্রায় ৬ হাজার ঘনফুট অবৈধ বালু জব্দ করা হয়।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে হোছাইন ও শামসু সিন্ডিকেট প্রভাব খাটিয়ে শক্তিশালী ড্রেজার ও ভারী ডাম্পার ব্যবহার করে আসছিল। এতে একদিকে খালের পাড়ে থাকা ২০ থেকে ৩০টি পরিবারের ভিটেমাটি বিলীনের ঝুঁকিতে পড়ে, অন্যদিকে ভারী ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট হয়ে চলাচলের একমাত্র গ্রামীণ সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এই দুর্ভোগ ও ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে ‘দৈনিক খবর কক্সবাজার’-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
​অভিযানের খবর পেয়ে বালু ব্যবসায়ী হোছাইন ও শামসু পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে উত্তোলন করা বিপুল পরিমাণ বালু জব্দ করা হয়।
​প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। এলাকাবাসী জানান, “দৈনিক খবর কক্সবাজার আমাদের কান্না প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। আমরা চাই এই বালুখেকো সিন্ডিকেটের ড্রেজারগুলো অবিলম্বে বাজেয়াপ্ত করে হোছাইন ও শামসুর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
​উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশ ও জনবসতি ধ্বংস করে কোনোভাবেই অবৈধ বালু উত্তোলন বরদাশত করা হবে না। এই চক্রের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd