• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ইনানী সৈকতে নলকূপে মিলল গ্যাস, মিটার বসিয়ে পরিমাপের সিদ্ধান্ত-ইউএনও পান্না আকতার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা ৪ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নেয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফের মিঠাপানিরছড়ায় আলোচিত বোন হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও ১নং এজাহারনামীয় মোঃ ইদ্রিস এসআরবি-১৫ এর অভিযানে গ্রেফতার টেকনাফ সরকারি কলেজে পাসের হার ২৫.৯১ শতাংশে, জিপিএ-৫ শূন্য হোয়ানক কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ২১.৫9 শতাংশে, পাস করেছেন ১৯ জন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিপর্যয়: পাস করেনি একজন শিক্ষার্থীও ফেল করা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এক মাসের প্রস্তুতিতে ফের পরীক্ষার সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী কক্সবাজার সিটি কলেজে পাসের হার ২৬.৩৬% – ৯৩৭ শিক্ষার্থীর ফেল, পাস মাত্র ২৪৭ রামু সরকারি কলেজে পাসের হার ৫০.৭৫%, মেলেনি কোনো জিপিএ-৫

দৈনিক খবর কক্সবাজার-এ প্রতিবেদনের পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন: জালিয়া পালংয়ে হোছাইন-শামসুর ড্রেজারে হানা, ৬ হাজার সিএফটি বালু জব্দ

মিসবাহ উল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা। / ৩২৯ Time View
Update : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

টেকনাফ প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের ছেফটখালী (সেভেটখালী) খালে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন ও বসতভিটা ধ্বংসের বিরুদ্ধে অবশেষে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন।
​জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম ‘দৈনিক খবর কক্সবাজার’-এ সচিত্র ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশের পর পরই নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। এর প্রেক্ষিতে জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ছেফটখালি এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড-এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
​অভিযানকালে চিহ্নিত বালু ব্যবসায়ী হোছাইন ও তার সহযোগী মনখালীর শামসু আলমের অবৈধভাবে স্তূপ করে রাখা প্রায় ৬ হাজার ঘনফুট অবৈধ বালু জব্দ করা হয়।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে হোছাইন ও শামসু সিন্ডিকেট প্রভাব খাটিয়ে শক্তিশালী ড্রেজার ও ভারী ডাম্পার ব্যবহার করে আসছিল। এতে একদিকে খালের পাড়ে থাকা ২০ থেকে ৩০টি পরিবারের ভিটেমাটি বিলীনের ঝুঁকিতে পড়ে, অন্যদিকে ভারী ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট হয়ে চলাচলের একমাত্র গ্রামীণ সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এই দুর্ভোগ ও ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে ‘দৈনিক খবর কক্সবাজার’-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
​অভিযানের খবর পেয়ে বালু ব্যবসায়ী হোছাইন ও শামসু পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে উত্তোলন করা বিপুল পরিমাণ বালু জব্দ করা হয়।
​প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। এলাকাবাসী জানান, “দৈনিক খবর কক্সবাজার আমাদের কান্না প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। আমরা চাই এই বালুখেকো সিন্ডিকেটের ড্রেজারগুলো অবিলম্বে বাজেয়াপ্ত করে হোছাইন ও শামসুর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
​উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশ ও জনবসতি ধ্বংস করে কোনোভাবেই অবৈধ বালু উত্তোলন বরদাশত করা হবে না। এই চক্রের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd