
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২ এপ্রিল সংসদে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংসদের বিশেষ কমিটি। গণভোট অধ্যাদেশটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, কারণ এর ব্যবহার ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ফলে এটি বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হবে না।
এ সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। দলটির সংসদ সদস্যরা বলছেন, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল করলে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে এবং জুলাই চেতনার সঙ্গে এটি সাংঘর্ষিক।
এদিকে, যেসব অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হচ্ছে, তার মধ্যে মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয়সহ কয়েকটি অধ্যাদেশে সংশোধনী আনার সুপারিশ করেছে সরকারি দল। কমিটিতে থাকা জামায়াতের সংসদ সদস্যরা এসব সংশোধনীর বিরোধিতা করেছেন। এ ধরনের প্রায় ১৫টি অধ্যাদেশ নিয়ে তারা নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) দিয়েছেন।
বিশেষ কমিটি জানায়, ১৩৩টি অধ্যাদেশের অধিকাংশ নিয়ে একমত হয়েছে সরকারি ও বিরোধী দল। তবে গণভোট অধ্যাদেশসহ কয়েকটি বিষয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে। সংবিধানের বিধান অনুসারে, অধ্যাদেশগুলো ৩০ দিনের মধ্যে সংসদে পাস না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।