• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ফেনীর ৪ তরুণ অপহরণ মামলার আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার পেকুয়ার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার টেকনাফের নয়া বাজারের রিদুয়ান অটোর লাইটে ১ হাজার ইয়াবাসহ রেজুখাল চেকপোস্টে আটক রাজধানীতে ককটেল ফুটিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, আটক ২ ঘুমধুমে ২০ হাজার ইয়াবাসহ এফডিএমএন সদস্য আটক টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কে ট্যুরিস্ট জিপ উল্টে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ লোহাগাড়ায় গ্রেপ্তার উখিয়ার তাঁতীদল নেতা আশেক হ্নীলা রঙ্গিখালীর ‘কথিত সাংবাদিক’ নুরুল আলম আনোয়ারায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার মায়ানমারে পাচারের সময় ৩ ট্রাক ইউরিয়া সারসহ দুই পাচারকারী আটক উখিয়ার ক্যাম্প-৭ থেকে আরসা সদস্য মাহমুদুল হাসান গ্রেপ্তার: অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

প্রশিক্ষণের নামে আমেরিকা সফর? গণপূর্তের ৮ কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেনএসি চালানো শিখতে

নিউজ ডেস্ক। / ৩২১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

গণপূর্ত অধিদপ্তরের আট শীর্ষ কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন এইচভিএসি প্রশিক্ষণে, প্রকল্প অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন

ঢাকা: সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং বা হিটিং, ভেন্টিলেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং (এইচভিএসি) সিস্টেমের ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের আটজন শীর্ষ কর্মকর্তা। সরকারি এই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের নাম ‘হিটিং, ভেন্টিলেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং (এইচভিএসি) সিস্টেম ট্রেনিং’। তাদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকও রয়েছেন।
তিন দফা তারিখ পরিবর্তনের পর চূড়ান্তভাবে এই সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি মাসের ১৫ তারিখ। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের স্বাস্থ্যখাতের অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত একটি প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
কিন্তু যে প্রকল্পের অর্থায়নে এই সফর হচ্ছে, সেই প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। প্রকল্পের মূল ব্যয় ছিল ২ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা, যা দুদফায় বাড়িয়ে বর্তমানে ৩ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা করা হয়েছে। আইএমইডির (Implementation Monitoring and Evaluation Division) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পের অধীনে যে এইচভিএসি সিস্টেম স্থাপনের কথা, তার কাজ ইতিমধ্যে শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
এছাড়া, সফরে যাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ই/এম) আশরাফুল হকের চাকরির মেয়াদ কয়েক মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। অভিযোগ উঠেছে যে, যাওয়া কর্মকর্তাদের কেউই সরাসরি হাসপাতাল নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত নন। নির্মাণ-পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বেও তাদের কোনো সম্পৃক্ততা থাকার সম্ভাবনা নেই।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে—প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের দিকে থাকা সত্ত্বেও এবং সরাসরি সংশ্লিষ্ট না হয়েও কেন এই কর্মকর্তাদের এই প্রশিক্ষণে পাঠানো হচ্ছে? গণপূর্ত অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ ও বাইরের সূত্রগুলোতে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কেউ কেউ একে প্রশিক্ষণের আড়ালে ‘আমলা তোষণ’ বলে অভিহিত করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd