• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: পাচারকারীদের ২০ আস্তানা ধ্বংস, অপহৃত কিশোর উদ্ধার টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৬ লাখ ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফের উত্তর চৌধুরীপাড়ার আয়াছ ও রফিক আটক: টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার চেইন্দায় মাইনুদ্দীন রাসেল হত্যা মামলার পলাতক আসামি শাহজাহান গ্রেপ্তার টেকনাফের কচ্ছপিয়ায় নতুন পুলিশ ফাঁড়ির জায়গা পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী সন্তানের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত বাবা, অবশেষে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ফেনীর ৪ তরুণ অপহরণ মামলার আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার পেকুয়ার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার টেকনাফের নয়া বাজারের রিদুয়ান অটোর লাইটে ১ হাজার ইয়াবাসহ রেজুখাল চেকপোস্টে আটক রাজধানীতে ককটেল ফুটিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, আটক ২

উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল চোরাকারবারি

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ৪৬ Time View
Update : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

কক্সবাজারের উখিয়ায় বিজিবি ও পুলিশের পৃথক যৌথ অভিযানে আসামিবিহীন এক লাখ পিস ইয়াবা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর বালুখালী বিওপির বিশেষ টহল দল ফাইসা খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা এক চোরাকারবারি নৌকা থেকে লাফ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
বিজিবি জানায়, নিয়মিত টহলের সময় বালুখালী বিএসপি পোস্টের দক্ষিণ পাশে ফাইসা খাল দিয়ে মিয়ানমার থেকে নৌকাযোগে একজনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে তিনি পালিয়ে যান। পরে নৌকাটি তল্লাশি করে নিচে অভিনব কায়দায় একটি বাক্সের ভেতর লুকানো খাকি ও নীল রঙের বায়ুরোধী নয় কাটে প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। নৌকাটি তল্লাশি করে আর কোনো অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।
এদিকে, একই রাতে রাত ৯টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বালুখালী বিওপির বিশেষ টহল দল ও উখিয়া থানা পুলিশের সদস্যরা নারিকেল বাগান এলাকায় যৌথ অভিযান চালান। এ সময় একটি জলাভূমির নিচে লুকানো অবস্থায় আরও ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মাদক সরবরাহকারী ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় এবং নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উদ্ধার করা ইয়াবার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd