• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ফেনীর ৪ তরুণ অপহরণ মামলার আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার পেকুয়ার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার টেকনাফের নয়া বাজারের রিদুয়ান অটোর লাইটে ১ হাজার ইয়াবাসহ রেজুখাল চেকপোস্টে আটক রাজধানীতে ককটেল ফুটিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, আটক ২ ঘুমধুমে ২০ হাজার ইয়াবাসহ এফডিএমএন সদস্য আটক টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কে ট্যুরিস্ট জিপ উল্টে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ লোহাগাড়ায় গ্রেপ্তার উখিয়ার তাঁতীদল নেতা আশেক হ্নীলা রঙ্গিখালীর ‘কথিত সাংবাদিক’ নুরুল আলম আনোয়ারায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার মায়ানমারে পাচারের সময় ৩ ট্রাক ইউরিয়া সারসহ দুই পাচারকারী আটক উখিয়ার ক্যাম্প-৭ থেকে আরসা সদস্য মাহমুদুল হাসান গ্রেপ্তার: অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

রামু উখিয়ারঘোনায় পাওয়া WWII বোমা: ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে সংরক্ষণের দাবি

রামু প্রতিনিধি। / ২৫৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬


কক্সবাজার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ : কক্সবাজারের রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লট উখিয়ার ঘোনা টেইলা পাড়া এলাকায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি অবিস্ফোরিত বোমা আবিষ্কার হয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনে অভ্যস্ত অংশ হয়ে উঠেছিল। এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, এই বোমাটির উপর অনেকদিন যাবত কাপড় কাচা এবং অন্যান্য গৃহস্থালী কাজ করা হতো, কিন্তু এখন এটির অভ্যন্তরে বিস্ফোরক উপাদান রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করার দাবি উঠেছে। বিস্ফোরক না থাকলে এটিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক হিসেবে সংরক্ষণ করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নাগরিকর ও এডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া শিরু।

এই বোমাটি যুদ্ধকালীন বিমান থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এটি পাহাড়ের পাদদেশে অর্ধেক মাটিতে পুঁতে থাকা অবস্থায় ছিল। সিলিন্ডার গ্যাসের মতো আকৃতির এই বোমার ওজন প্রায় ৭ থেকে ৮ মণ (২৮০-৩২০ কেজি) হতে পারে, এবং এর গায়ে ৯টি পাখা ও দুই পাশে ক্যাবল সংযুক্ত রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম কাদেরের বাড়ির সামনে এটি পাওয়া যায়, যা রামুর ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এলাকাবাসীরা জানান, বোমাটির উপর কাপড় কাচা এবং ধোয়ার কাজ করা হতো কারণ এটিকে নিরাপদ মনে করা হতো। তবে বিস্ফোরণের সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উঠেছে। স্থানীয় একজন বলেন, “এটাতে এক্সপ্লোসিভ আছে কিনা পরীক্ষা করা দরকার। না থাকলে এটাকে সংরক্ষণ করে রাখা উচিত, কারণ এটা আমাদের এলাকার ইতিহাসের সাক্ষী।
এই আবিষ্কার কক্সবাজারের রামু অঞ্চলের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এ অঞ্চল যুদ্ধক্ষেত্রের অংশ ছিল, এবং এমন অনেক অবশিষ্টাংশ এখনও পাওয়া যায়। এডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া শিরু বলছেন, এ ধরনের আর্টিফ্যাক্টগুলো নিরাপত্তা পরীক্ষার পর জাদুঘরে সংরক্ষণ করলে তা পর্যটন এবং শিক্ষামূলক মূল্য যোগ করবে।
যদি বোমাটিতে বিস্ফোরক উপাদান পাওয়া যায়, তাহলে নিরাপত্তা বাহিনীকে তা নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নিতে হবে। স্থানীয়রা এখন অপেক্ষা করছেন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd