• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৩,৬০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ২০ হাজার ইয়াবাসহ রামু উত্তর ফঁতেকারকুলের নুরুল হাশেম ও তেচ্ছিফুলের হাসান আলী গ্রেপ্তার ​৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুরুল হাকিম টেকনাফে গ্রেপ্তার ​৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ উখিয়ার রহমতের বিলের মনজুর আলী আটক অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে ঈদগাঁওজুড়ে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি ঈদগাঁবাসীর সাংবাদিক সমাজের তীব্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে মুক্তি পেলেন হাফিজুর রহমান শফিক রামুতে ছাত্রলীগের শোডাউন: সাদ্দাম-মিশুকসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা টেকনাফে ৩০ লিটার মদ ও ইজিবাইক টমটমসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার পেকুয়া-চকরিয়ায় সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন ২ হাজার মানুষ সংরক্ষিত বন রক্ষায় গিয়ে বারবার হামলার শিকার বনকর্মীরা: রামুতে আহত রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫

মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ: ডিজিএফআই সাংবাদিক রিপনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৩১ Time View
Update : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

কক্সবাজারে সাংবাদিক তানভীরুল মিরাজ রিপনকে গোয়েন্দা সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সুরক্ষা সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।

গত ৩০ মার্চ সোমবার কক্সবাজারে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) রিপনকে তাদের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। রিপন স্বাধীন সাংবাদিক হিসেবে দ্য ইকোনমিস্ট, স্কাই নিউজসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কাজ করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট, মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা বিষয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন তৈরি করেন।
রিপন অভিযোগ করেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় রোহিঙ্গা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য নিয়ে তাকে মানসিকভাবে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কর্মকর্তা তাকে বলেন, বিদেশি কারও সঙ্গে দেখা হলে নিয়মিত তাদের কার্যালয়ে আসতে হবে। রিপন বলেন, “আমার আদি বাড়িতে মা থাকেন—এ ধরনের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ট্রিগার করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা স্পষ্ট ইন্টিমিডেশন।”
সিপিজের এশিয়া প্যাসিফিক প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর কুনাল মজুমদার বলেন, “সাংবাদিক তানভীরুল মিরাজ রিপনের বিরুদ্ধে এই হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সামরিক কর্মকর্তাদের উচিত সংবাদমাধ্যমকে প্রশ্ন করা বন্ধ করা। এ ধরনের ঘটনা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করে।”
সিপিজে আরও জানায়, গোয়েন্দা সংস্থার উচিত নয় ‘তলব’ করে সাংবাদিকদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন করা।
সিনিয়র সাংবাদিক আশরাফ কায়সার এ ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ ও ‘অতীতের পুনরাবৃত্তি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “ডিজিএফআই ও প্রশাসনের গণমাধ্যমের ওপর নজরদারি ও হস্তক্ষেপ অত্যন্ত নিন্দনীয়। ২০২৪ সালের পরিবর্তনের পরও এমন ঘটনা শুরু হলে শুরুতেই প্রতিবাদ করা উচিত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া।”

এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সিপিজে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের প্রতি সাংবাদিকদের হয়রানি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd