কক্সবাজার, ২২ মার্চ ২০২৬: পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে পর্যটকের অভূতপূর্ব ঢল নেমেছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকেই সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা, কলাতলী পয়েন্টসহ বিভিন্ন স্পটে উপচে পড়া ভিড়। যতদূর চোখ যায়, শুধু মানুষ আর মানুষ—দাঁড়ানোর মতো ফাঁকা জায়গা খুঁজে পাওয়া দায় হয়ে পড়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটির এই সময়ে অন্তত ৯ থেকে ১১ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটতে পারে কক্সবাজারে। হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্টহাউজগুলোতে ৮০-৯০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। শহরের পাঁচ শতাধিক আবাসন প্রতিষ্ঠান পর্যটকদের বরণে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। রমজান মাসে পর্যটক শূন্যতার পর এই ঢল দেখে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছে।
সৈকতে পর্যটকরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সমুদ্রস্নান, ঘোড়ায় চড়া, বিচ বাইক চালানো, ছবি তোলা ও পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ উপভোগ করছেন। তবে ভিড়ের কারণে কিছু অসুবিধাও দেখা দিচ্ছে—পার্কিং, যানজট এবং সৈকতের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পর্যটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ভিড় নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, “দেশের স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এবার ঈদে রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক আসছেন। এটি স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।”
দৈনিক খবর কক্সবাজারের পক্ষ থেকে পর্যটকদের সতর্কতা: ভিড়ের মধ্যে সন্তানদের হাত ধরে রাখুন, সমুদ্রে গভীরে যাবেন না এবং সৈকতের নিয়ম মেনে চলুন। ঈদের আনন্দ যেন নিরাপদ ও স্মরণীয় হয়!