• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নাম গোপন করে আত্মগোপন, অবশেষে টেকনাফে গ্রেপ্তার ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি চকরিয়ায় অস্ত্র ও ৮২৫ রাউন্ড গুলিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেফতার টেকনাফে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: পাচারকারীদের ২০ আস্তানা ধ্বংস, অপহৃত কিশোর উদ্ধার টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৬ লাখ ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফের উত্তর চৌধুরীপাড়ার আয়াছ ও রফিক আটক: টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার চেইন্দায় মাইনুদ্দীন রাসেল হত্যা মামলার পলাতক আসামি শাহজাহান গ্রেপ্তার টেকনাফের কচ্ছপিয়ায় নতুন পুলিশ ফাঁড়ির জায়গা পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী সন্তানের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত বাবা, অবশেষে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ফেনীর ৪ তরুণ অপহরণ মামলার আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার পেকুয়ার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার

অন্তর্বর্তী সরকারের ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সাধারণ জনগণের

নিজস্ব প্রতিবেদক। / ২৫০ Time View
Update : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সাধারণ জনগণের।

১৪ জানুয়ারি ২০২৬: আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে অনুষ্ঠেয় গণভোট নিয়ে বিতর্ক তীব্র হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার জোরেশোরে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেও, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ — দুটি বিকল্পই কেন রাখা হলো, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে — “হ্যাঁ ভোট দিলে সব সংস্কার পাবেন, না ভোট দিলে কিছুই পাবেন না”। এই ধরনের প্রচারণায় স্থানীয় প্রশাসন, ব্যাংক, এমনকি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, যখন সরকার নিজেই একপক্ষীয়ভাবে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করছে, তখন আলাদা করে ‘না’ অপশন রাখার আইনি-নৈতিক প্রয়োজনীয়তা কী?

বিশ্লেষকদের মতামত
আইনজ্ঞ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণভোট হলো জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকাশ। এতে শুধু একটি ফলাফলকে বৈধতা দেওয়ার জন্য নয়, বরং জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটানোর জন্যই ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ দুটি বিকল্প থাকা আবশ্যক। সরকার যদি শুধু ‘হ্যাঁ’ চায়, তাহলে গণভোটের পরিবর্তে সরাসরি সংসদে বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় সংস্কার পাস করতে পারতো। কিন্তু জনগণের সরাসরি সম্মতি নেওয়ার নামে গণভোট করা হচ্ছে বলে আইনি কাঠামো অনুযায়ী দুই পক্ষের সুযোগ রাখতেই হয়।
তবে সমালোচকরা মনে করেন, সরকারের এমন একতরফা প্রচারণার কারণে “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” নষ্ট হচ্ছে। কেউ কেউ এটিকে অতীতের গণভোটের মতোই “প্রশ্নবিদ্ধ” বলে আখ্যা দিচ্ছেন। কয়েকজন আইনজ্ঞের মতে, এই প্রচারণার কারণে ভবিষ্যতে গণভোটের ফলাফল আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
জনমতের প্রশ্ন
সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেকেই এখনো গণভোটের প্রশ্ন, সংস্কারের বিষয়বস্তু এবং এর প্রভাব সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। অনেকে বলছেন, “সরকার যদি এতই নিশ্চিত যে জনগণ সংস্কার চায়, তাহলে কেন দুই অপশন? আর যদি জনগণের মত নেওয়াই লক্ষ্য হয়, তাহলে কেন সরকার নিজে একপক্ষ হয়ে প্রচার চালাচ্ছে?”
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই গণভোটের ফলাফলই বলে দেবে — জনগণের সত্যিকারের ইচ্ছা কী ছিল, নাকি এটি শুধুই একটি “অনুমোদনমূলক” আনুষ্ঠানিকতা হিসেবেই থেকে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd