• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে মানবপাচার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও চক্রের সদস্য আবদুল করিম, সাং: উত্তর কচ্ছপিয়া, বাহারছড়া, টেকনাফ, এসআরবি-১৫ এর অভিযানে গ্রেফতার কক্সবাজারে ইয়াবাসহ আটক মো. ওমর বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাসিন্দা টেকনাফে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ হাবিবকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৫ ইনানী সৈকতে নলকূপে মিলল গ্যাস, মিটার বসিয়ে পরিমাপের সিদ্ধান্ত-ইউএনও পান্না আকতার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা ৪ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নেয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফের মিঠাপানিরছড়ায় আলোচিত বোন হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও ১নং এজাহারনামীয় মোঃ ইদ্রিস এসআরবি-১৫ এর অভিযানে গ্রেফতার টেকনাফ সরকারি কলেজে পাসের হার ২৫.৯১ শতাংশে, জিপিএ-৫ শূন্য হোয়ানক কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ২১.৫9 শতাংশে, পাস করেছেন ১৯ জন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিপর্যয়: পাস করেনি একজন শিক্ষার্থীও

কক্সবাজারের রামুতে খেলতে গিয়ে গর্তে পড়ে প্রাণ গেল ৪ বছরের শিশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৭৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ছড়ার (পাহাড়ি নালা) পাশে জমে থাকা একটি গর্তের পানিতে পড়ে মোহাম্মদ মুসা নামের চার বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
​শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের তুলাবাগান ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
​নিহত মোহাম্মদ মুসা ওই এলাকার ওসমান গণি ও শাহনা আক্তার দম্পতির ছোট ছেলে।
​পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়:
​নিখোঁজ হওয়ার মুহূর্ত: ঘটনার সময় শিশুটির মা ঘরে জোহরের নামাজ আদায় করছিলেন। এই সুযোগে সবার অজান্তে শিশু মুসা খেলার ছলে একা বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।
​উদ্ধার অভিযান: নামাজ শেষে সন্তানকে না পেয়ে মা-বাবা ও প্রতিবেশীরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
​মরদেহ উদ্ধার: তল্লাশির একপর্যায়ে ঘর থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে ছড়ার পাশের একটি গভীর গর্তে শিশুটিকে নিথর অবস্থায় ভেসে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। সেখান থেকে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
​”শিশুটির মা নামাজ পড়ার সময় ও খেলতে বের হয়। পরে ছড়ার পাশের গর্তে তাকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছড়ার পাশের এই গর্তটি দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যেখানে শিশুরা প্রতিনিয়ত খেলাধুলা করে। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো মর্মান্তিক দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য দ্রুততম সময়ে এলাকাটিতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা (ফেন্সিং বা গর্ত ভরাট) গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
​এই অবোধ শিশুর অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd