• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ হাবিবকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৫ ইনানী সৈকতে নলকূপে মিলল গ্যাস, মিটার বসিয়ে পরিমাপের সিদ্ধান্ত-ইউএনও পান্না আকতার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা ৪ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নেয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফের মিঠাপানিরছড়ায় আলোচিত বোন হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও ১নং এজাহারনামীয় মোঃ ইদ্রিস এসআরবি-১৫ এর অভিযানে গ্রেফতার টেকনাফ সরকারি কলেজে পাসের হার ২৫.৯১ শতাংশে, জিপিএ-৫ শূন্য হোয়ানক কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ২১.৫9 শতাংশে, পাস করেছেন ১৯ জন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিপর্যয়: পাস করেনি একজন শিক্ষার্থীও ফেল করা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এক মাসের প্রস্তুতিতে ফের পরীক্ষার সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী কক্সবাজার সিটি কলেজে পাসের হার ২৬.৩৬% – ৯৩৭ শিক্ষার্থীর ফেল, পাস মাত্র ২৪৭

অভাবের কড়া নাড়ায় সাগরে ভাসছে শৈশব: শামলাপুরে মেশিনের পাখায় প্রাণ গেল রোহিঙ্গা শিশুর

মিসবাহ উল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা। / ১৩৮ Time View
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

টেকনাফে প্রতিনিধি:

​সংসারের চরম অভাব-অনটন আর টিকে থাকার লড়াইয়ে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর অনেক শিশুই আজ শৈশব হারিয়ে ঠাঁই নিচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ পেশায়। অনেক পরিবারেই ১০ বছর পার হলেই একটি ছেলেকে বিবেচনা করা হচ্ছে উপার্জনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে। তবে এই অভাবের তাড়না কতটা তীব্র হলে ১০-১২ বছরের একটি কোমলমতি শিশুকে উত্তাল সাগরে মাছ ধরতে পাঠানো হয়—সেই প্রশ্ন এখন সচেতন মহলের।
​সম্প্রতি টেকনাফের শামলাপুর নৌকা ঘাটে ঘটেছে তেমনি এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। সাগরে মাছ ধরার নৌকার মেশিনের পাখার আঘাতে মাথা কেটে নির্মমভাবে মৃত্যু হয়েছে এক রোহিঙ্গা শিশুর। এত কম বয়সে সাগরের মতো ভয়াল কর্মস্থলে গিয়ে প্রাণ হারানোর এই ঘটনা উপকূল জুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
​উপকূলীয় অঞ্চলে অভাবের কারণে শিশুশ্রম একটি কঠিন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়ালেও সচেতন মানুষের প্রশ্ন—একটি শিশুর জীবন কি এতটাই সস্তা?
​এই মর্মান্তিক মৃত্যুর দায় শুধু অর্থকষ্টে থাকা পরিবার এড়াতে পারে না ঠিকই, তবে নৌকার মালিক ও মাঝিদের ভূমিকাও এখানে বড় প্রশ্নের মুখে। আইন ও মানবিক দিক উপেক্ষা করে শুধু স্বল্প মজুরিতে কাজ করানোর উদ্দেশ্যে বা দায়িত্বে অবহেলা করে এত ছোট শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত করার দায় ট্রলার মালিক ও মাঝিরাও কোনোভাবে এড়াতে পারেন না।
​স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীদের মতে, অভাব যতই থাক, শিশুদের নিরাপত্তাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়। শিশুশ্রম রোধে পরিবারগুলোকে সচেতন করার পাশাপাশি ট্রলার মালিক ও মাঝিরা যেন নাবালক শিশুদের সাগরে না নিয়ে যান, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd