• রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সেন্টমার্টিনে পাওয়া অজগরটি টেকনাফ জঙ্গলে অবমুক্ত করেছে ‘বন বিভাগ নোয়াখালী সদরে ছাত্রদলের সাথে আওয়ামী সমর্থকদের সংঘর্ষ, ৬ আহত নাফ নদীতে কোস্ট গার্ডের সফল অভিযান, জব্দ ১.২৫ কোটি টাকার ইয়াবা সংবাদমাধ্যমের প্রতি জনগণের আস্থা কমছে: বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী সংবাদপত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে আগামীকাল নোয়াখালী সদরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বড় মিছিল,মিছিল দেখে পুলিশ সরে যাওয়ার অভিযোগ কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ০২ জন শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৯ কোটি টাকার ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক পাচারকারী আটক ঈদগাঁও তে অবৈধ বালু উত্তোলন: ভ্রাম্যমাণ আদালতে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা

রামু উখিয়ারঘোনায় পাওয়া WWII বোমা: ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে সংরক্ষণের দাবি

রামু প্রতিনিধি। / ২০০ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬


কক্সবাজার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ : কক্সবাজারের রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লট উখিয়ার ঘোনা টেইলা পাড়া এলাকায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি অবিস্ফোরিত বোমা আবিষ্কার হয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনে অভ্যস্ত অংশ হয়ে উঠেছিল। এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, এই বোমাটির উপর অনেকদিন যাবত কাপড় কাচা এবং অন্যান্য গৃহস্থালী কাজ করা হতো, কিন্তু এখন এটির অভ্যন্তরে বিস্ফোরক উপাদান রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করার দাবি উঠেছে। বিস্ফোরক না থাকলে এটিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক হিসেবে সংরক্ষণ করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নাগরিকর ও এডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া শিরু।

এই বোমাটি যুদ্ধকালীন বিমান থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এটি পাহাড়ের পাদদেশে অর্ধেক মাটিতে পুঁতে থাকা অবস্থায় ছিল। সিলিন্ডার গ্যাসের মতো আকৃতির এই বোমার ওজন প্রায় ৭ থেকে ৮ মণ (২৮০-৩২০ কেজি) হতে পারে, এবং এর গায়ে ৯টি পাখা ও দুই পাশে ক্যাবল সংযুক্ত রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম কাদেরের বাড়ির সামনে এটি পাওয়া যায়, যা রামুর ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এলাকাবাসীরা জানান, বোমাটির উপর কাপড় কাচা এবং ধোয়ার কাজ করা হতো কারণ এটিকে নিরাপদ মনে করা হতো। তবে বিস্ফোরণের সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উঠেছে। স্থানীয় একজন বলেন, “এটাতে এক্সপ্লোসিভ আছে কিনা পরীক্ষা করা দরকার। না থাকলে এটাকে সংরক্ষণ করে রাখা উচিত, কারণ এটা আমাদের এলাকার ইতিহাসের সাক্ষী।
এই আবিষ্কার কক্সবাজারের রামু অঞ্চলের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এ অঞ্চল যুদ্ধক্ষেত্রের অংশ ছিল, এবং এমন অনেক অবশিষ্টাংশ এখনও পাওয়া যায়। এডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া শিরু বলছেন, এ ধরনের আর্টিফ্যাক্টগুলো নিরাপত্তা পরীক্ষার পর জাদুঘরে সংরক্ষণ করলে তা পর্যটন এবং শিক্ষামূলক মূল্য যোগ করবে।
যদি বোমাটিতে বিস্ফোরক উপাদান পাওয়া যায়, তাহলে নিরাপত্তা বাহিনীকে তা নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নিতে হবে। স্থানীয়রা এখন অপেক্ষা করছেন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd