• রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নাফ নদীতে কোস্ট গার্ডের সফল অভিযান, জব্দ ১.২৫ কোটি টাকার ইয়াবা সংবাদমাধ্যমের প্রতি জনগণের আস্থা কমছে: বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী সংবাদপত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে আগামীকাল নোয়াখালী সদরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বড় মিছিল,মিছিল দেখে পুলিশ সরে যাওয়ার অভিযোগ কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ০২ জন শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৯ কোটি টাকার ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক পাচারকারী আটক ঈদগাঁও তে অবৈধ বালু উত্তোলন: ভ্রাম্যমাণ আদালতে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা টেকনাফে অপরাধের মহোৎসব: কচ্ছপিয়ায় গুলির পর শামলাপুর থেকে ৩ শিশু অপহরণ, প্রশাসন নিয়ে প্রশ্ন ঈদগাঁও বাজারে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান: বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সংবাদমাধ্যমের প্রতি জনগণের আস্থা কমছে: বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী সংবাদপত্র

Reporter Name / ২১ Time View
Update : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

লিখেছেন, দয়াল বড়ুয়া :

৬ জুন: ধীরে ধীরে দেশসহ বিশ্বজুড়ে সংবাদপত্র ও ঐতিহ্যবাহী সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা হ্রাস পাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, সংবাদকে ব্যবসায়িক পণ্যে পরিণত করে একটি গোষ্ঠী এই মাধ্যমকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে, যার ফলে সাধারণ পাঠক-দর্শকদের মধ্যে ক্রমশ অবিশ্বাস বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে— সংবাদপত্র কি শেষ পর্যন্ত বিলুপ্ত হয়ে যাবে?

সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপে দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ও স্বাধীন ইউটিউব-ফেসবুক কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রতি ঝোঁক বাড়ছে। অনেকে অভিযোগ করেন, মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো এখন আর নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে না। বরং রাজনৈতিক-বাণিজ্যিক প্রভাব, সেনসেশনাল হেডলাইন এবং একপেশে প্রতিবেদনের কারণে পাঠকদের আস্থা নষ্ট হচ্ছে।
“সংবাদপত্রকে একদল মানুষ পুরোপুরি ব্যবসায় পরিণত করেছে। লাভের জন্য সত্যকে বিকৃত করা হচ্ছে, যা জনগণের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করছে,”— এমন মন্তব্য করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিয়মিত পাঠক।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবাদমাধ্যমের এই সংকট নতুন নয়। ডিজিটাল যুগে প্রিন্ট মিডিয়ার সঙ্কুচিত হওয়া, বিজ্ঞাপনের আয় কমে যাওয়া এবং দ্রুত তথ্যের চাহিদার কারণে অনেক সংবাদপত্র ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা অনলাইনে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। তবে পুরোপুরি বিলুপ্তি হবে কি না, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
কেউ কেউ মনে করেন, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতে পারলে সংবাদমাধ্যম আবার আস্থা ফিরে পাবে। অন্যদিকে, কিছু বিশ্লেষকের মতে, ভবিষ্যতে সংবাদের ধরনই বদলে যাবে— যেখানে নাগরিক সাংবাদিকতা ও স্বাধীন প্ল্যাটফর্মগুলোর ভূমিকা আরও বাড়বে।
এই পরিস্থিতিতে সংবাদমাধ্যম কর্তৃপক্ষগুলোর কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে পাঠকদের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা। অন্যথায়, ঐতিহ্যবাহী সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd