• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে পাহাড় ঘিরে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অপরাধীদের আস্তানা, নিয়মিত অভিযানের ঘোষণা উখিয়ায় ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল চোরাকারবারি হোয়াইক্যং সীমান্তে ২০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন ইয়াবা কারবারি আটক টেকনাফ সীমান্তে জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারকালে তরুণ গ্রেপ্তার উখিয়ায় ৩ লাখ ১০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক মো. জোনায়েত আটক টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক তুমব্রু সীমান্তে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ৫ পাচারকারী আটক উখিয়ায় ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন আটক নাম গোপন করে আত্মগোপন, অবশেষে টেকনাফে গ্রেপ্তার ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি

টেকনাফে পাহাড় ঘিরে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অপরাধীদের আস্তানা, নিয়মিত অভিযানের ঘোষণা

মিসবাহ উল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা। / ১৭ Time View
Update : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কক্সবাজার প্রতিনিধি (টেকনাফ):

কক্সবাজারের সীমান্তঘেঁষা টেকনাফে সক্রিয় ডাকাত দল, মানবপাচারকারী এবং মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সীমান্ত ও পাহাড়ি এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে টেকনাফের বাহারছড়া সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিশাল যৌথ সাঁড়াশি ও চিরুনি অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

​আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শামলাপুর পুরান পাড়া সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সংঘবদ্ধ অপরাধী সিন্ডিকেট এ অঞ্চলকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল। এই পাহাড় থেকেই তারা আশপাশের জনপদ ও টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ কেন্দ্রিক অপহরণ, মানবপাচার, মুক্তিপণ আদায় এবং ডাকাতির মতো জঘন্য অপরাধ পরিচালনা করত। নিয়মিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক এবং পর্যটকদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

​পাহাড়ি অঞ্চলের এসব সংঘবদ্ধ চক্রের গোপন আস্তানা চিহ্নিত করে তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে মাঠে নেমেছে যৌথ বাহিনী। অপরাধের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং র‍্যাবের (RAB) সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দল এ অভিযানে অংশ নেয়। অভিযানের সময় পুরো দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ঘেরাও করে চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়।

​অভিযান শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, পাহাড়ি অঞ্চলকে ব্যবহার করে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। অপরাধীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে কোনো ছাড় না দিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টেকনাফের পাহাড়ি এলাকা থেকে সশস্ত্র অপরাধী ও পাচারকারীদের তৎপরতা পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের যৌথ সাঁড়াশি অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে তারা নিশ্চিত করেন।

​যৌথ বাহিনীর এই ঝটিকা অভিযানের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। সীমান্ত ও পাহাড়ি এলাকায় স্থায়ী শান্তি বজায় রাখতে সেখানে নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি স্থায়ী পুলিশ বা নিরাপত্তা ফাঁড়ি বসানোর জোরালো দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd