• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাংবাদিক সমাজের তীব্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে মুক্তি পেলেন হাফিজুর রহমান শফিক রামুতে ছাত্রলীগের শোডাউন: সাদ্দাম-মিশুকসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা টেকনাফে ৩০ লিটার মদ ও ইজিবাইক টমটমসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার পেকুয়া-চকরিয়ায় সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন ২ হাজার মানুষ সংরক্ষিত বন রক্ষায় গিয়ে বারবার হামলার শিকার বনকর্মীরা: রামুতে আহত রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ কক্সবাজারে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করল সদর থানা পুলিশ, গ্রেপ্তার ১ ঈদগাঁও ও মহেশখালীর মাতাবাড়ীতে অবশেষে অনুমোদিত হলো ২ নতুন ফায়ার স্টেশন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, কর্মস্থল কক্সবাজার রামুর খুনিয়াপালংয়ে ওষুধবাহী গাড়ি ও সিএনজি সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৪ উখিয়ায় নাশকতার মামলায় জুলাই আন্দোলনকারী ছাত্র ও ব্যবসায়ী কারাগারে: মূল আয়োজকরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

মিরপুরে তদবির করতে গিয়ে পুলিশের জালে ৫ সমর্থক; সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার বিএনপি-জামায়াতের

নিউজ ডেস্ক। / ২০১ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক :

কুষ্টিয়ার মিরপুরে  পুলিশের হাতে রবিউল ইসলাম নামে আটক এক মাদক কারবারিকে ছাড়াতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ নেতা। তাদেরকেও পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ১০টায় মিরপুর থানায় এই ঘটনা ঘটে।

শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নওদা আজিমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিউলকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আটক রবিউল ইসলাম ওই এলাকার মো. রমজানের ছেলে। হেফাজতে নেওয়া বিএনপি নেতা এনামুল হক। তিনি সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৬নং ওয়ার্ড সদস্য। এছাড়া বাকি চার জামায়াত সমর্থক হলেন- উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম, একই এলাকার সুজন আলী, আলাউদ্দিন ও শফিকুল ইসলাম।মিরপুর উপজেলা জামায়াত ইসলামের আমির রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমি এই বিষয়ে অবগত আছি। আটককৃত চারজন জামায়াতে ইসলামীর নেতা বা কর্মী না তারা সমর্থক। আমাদের লিস্ট অনুযায়ী তাদের নাম কোন নেতা বা কর্মীর খাতায় নেই। তবে তারা সমর্থক।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের তদবির কখনোই করে না। আমি যেটুকু জানি যে মাদক কারবারি আটক হয়েছে তার বাড়ির পাশেই এই চারজনের বাড়ি। তারা ওই লোকের খোঁজ নিতে থানায় গেছিল।

মিরপুর উপজেলা সদরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম আশা ঢাকা পোস্টকে বলেন, মিরপুর থানা হেফাজতে থাকা সদরপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এনামুল হক বিএনপির কোনো পদ-পদবিতে নেই। তিনি বিএনপির একজন সমর্থক। বিএনপির বিভিন্ন মিছিল মিটিং প্রোগ্রামে তিনি উপস্থিত থাকেন। তার এই বিষয়টি দল সমর্থন করে না। এর দায় দল নেবে না।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, ৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারিকে আটক করে থানায় আনা হয়। থানায় আসার পরে তার নামে এজহার দাখিল করা হয়। রাত সাড়ে ১০টার সময় আসামির পক্ষে তদবির করতে আসেন সদরপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এনামুল হক ও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক সুজন আলী, আলাউদ্দীন, শফিকুল ও সাইদুল। তাদের তদবির করতে বারবার নিষেধ করা হলেও তারা তা উপেক্ষা করেন আসামিকে ছেড়ে দিতে বলেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

ওসি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদবির সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা বারবার এই আসামিকে ছাড়াতে তদবির করছিলেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারা এখনো পুলিশ হেফাজতেই আছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd