• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প ভ্যানচালক স্বামীর সংসারে লড়াই থেকে আজ সফল উদ্যোক্তা: বদলে যাওয়া মরিয়মের গল্প অন্যকে মা-বাবা সাজিয়ে এনআইডি-পাসপোর্ট তৈরি, রাঙ্গুনিয়ায় ফয়সাল আটক নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪০ হাজার বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করল ৩৪ বিজিবি আজ ৩ নভেম্বর ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবস: কারাগারের ঘেরাটোপে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল জাতীয় চার নেতার জীবন

প্রতীক বরাদ্দের পর কক্সবাজার-৩-এ উত্তেজনা: বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি, জয় নিয়ে ধোঁয়াশা

কক্সবাজার প্রতিনিধি। / ৩৭৮ Time View
Update : বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬


কক্সবাজার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় জনগণের মধ্যে আলোচনায় এই আসনকে ‘হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাঠ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে শেষ পর্যন্ত কে জিতবেন তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই।
বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল (ধানের শীষ) দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকায় পরিচিত মুখ। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর (দাঁড়িপাল্লা), যিনি সাবেক ভিপি এবং স্থানীয়ভাবে সংগঠনের শক্তিশালী ভিত্তি নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে দুই পক্ষের প্রচারণা জোরালো হয়েছে।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকে বিএনপির ঐতিহ্যবাহী সমর্থনের কথা বললেও জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তি ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। একজন রামু এলাকার ভোটার বলেন, “দুই পক্ষই সমান তালে চলছে। বিএনপির লোকবল বেশি, কিন্তু জামায়াতের কর্মীদের উৎসাহ দেখে মনে হয় তারা ছাড়বে না। শেষ মুহূর্তে কোন দিকে ঝুঁকবে ভোট, তা বলা কঠিন।”
অন্যদিকে সদর ও ঈদগাঁও এলাকায় কিছু ভোটার মনে করে, বিএনপির জাতীয় নেতৃত্বের প্রভাব এবং স্থানীয় ইস্যুতে কাজলের অভিজ্ঞতা তাকে সুবিধা দিতে পারে। তবে জামায়াতের প্রার্থী বাহাদুরের নেতৃত্বে রামুতে বিশাল মিছিলসহ সক্রিয় প্রচারণা জনমনে প্রভাব ফেলছে।
এ আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই বিএনপি-জামায়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে জনমত জরিপে কোনো পক্ষই স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে নেই।
ভোটাররা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন, যাতে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, এই আসনের ফলাফল নিয়ে উৎকণ্ঠা ও আগ্রহ দুটোই বাড়ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd