দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু নিয়ে জানা অজানা কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে, তার মধ্যে সবার নজরে আইসিইউ নিয়ে।
আইসিইউতে কি মৃত মানুষ রাখা যায়, সবার মনে প্রশ্ন।চিকিৎসাবিজ্ঞানে কি বলে।
এই সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. সাকলায়েন রাসেল। তিনি এই বিষয়টিকে একটি ‘সম্পূর্ণ গুজব’ ও ‘অসম্ভব ঘটনা’ বলে অভিহিত করেছেন।
লাইফ সাপোর্ট আসলে কী? ডা. সাকলায়েন রাসেল জানান, লাইফ সাপোর্ট বা কৃত্রিম ফুসফুসের কাজ হলো একজন মুমূর্ষু রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখা যখন তার নিজের ফুসফুস কাজ করতে পারে না। এর পাশাপাশি শরীরে লবণের ঘাটতি পূরণ বা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের যুক্তি: ভিডিওতে বলা হয়, একজন মানুষের হৃদস্পন্দন যতক্ষণ সচল থাকে, ততক্ষণই তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় জীবিত ধরা হয়। হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেলে কোনো মেশিন দিয়েই তাকে আর বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয়। মানুষ মারা যাওয়ার পর শরীরে দ্রুত পচন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে থাকে। আইসিইউ-র পরিবেশে কোনো মৃত মানুষকে পচন ছাড়াই দিনের পর দিন রেখে দেওয়া চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একেবারেই অসম্ভব।
আবেগ বনাম বাস্তবতা: অনেক সময় পরিবারের সদস্যরা প্রিয়জনকে হারানোর শোক মেনে নিতে পারেন না এবং কোনো ‘মিরাকল’ বা অলৌকিক কিছুর আশায় লাইফ সাপোর্ট চালিয়ে যেতে বলেন। চিকিৎসকরাও অনেক সময় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করেন। তবে এর মানে এই নয় যে, একজন মৃত মানুষকে সেখানে রাখা হয়েছে।