• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে সেনাসদস্যের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে থাকা সেই ‘ডন’ আলম, জসিম ও রিদওয়ানরা কারা? মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম টেকনাফে মা’দক সন্ত্রা’সীদের হাতে সেনা সদস্য গু’লি’বিদ্ধ, কক্সবাজারে বি’ক্ষো’ভ কক্সবাজারে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে বগুড়ার ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প

মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম

মিসবাহ উল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা। / ১৬ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফ:

সরকারি নিষেধাজ্ঞার টানা ২২ দিন পেরিয়ে সাগরে মাছ ধরা শুরু হতেই উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলীয় অঞ্চলে। দীর্ঘ দিন কর্মহীন থাকার পর জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে হরেক রকমের সামুদ্রিক মাছ। তবে এই আনন্দ ও প্রাচুর্যের নেপথ্যে লুকিয়ে রয়েছে উপকূলের সহজ-সরল মানুষের এক মর্মান্তিক সংগ্রামের বাস্তব চিত্র। একদিকে উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে জীবিকা নির্বাহ, অন্যদিকে পাহাড়ের সন্ত্রাসী জনগোষ্ঠীর ত্রাস—সব মিলিয়ে চরম ঝুঁকিতে কাটছে এই জনপদের মানুষের জীবন।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে নামা জেলের জালে গত পাঁচ দিন ধরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে। দীর্ঘদিন উপার্জনহীন থাকার পর জালে পর্যাপ্ত মাছ পাওয়ায় জেলে পরিবারগুলোতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে বুকভরা আশা নিয়ে সাগরে পা রাখা এসব জেলের জীবন প্রতিনিয়ত নানামুখী সংকটে আবর্তিত হচ্ছে।

​উপকূলের প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, টেকনাফের এই অঞ্চলের মানুষ স্বভাবগতভাবেই অত্যন্ত শান্তপ্রিয়, সহজ-সরল ও অতিথিপরায়ণ। বাইরের যেকোনো অতিথি বা মেহমানকে সাদরে বরণ করতে ও আপ্যায়ন করতে তারা সবসময়ই আনন্দ বোধ করেন। অথচ এমন অমায়িক স্বভাবের মানুষগুলোকেই জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রতিদিন দ্বিমুখী লড়াই করতে হচ্ছে।

​একদিকে প্রমত্ত সাগরের প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে পরিবারের মুখে অন্ন জোগাতে হয় তাদের, অন্যদিকে পাহাড়ের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নানা আতঙ্ক ও সহিংসতার মুখোমুখি হতে হয়। প্রকৃতির সঙ্গে এই লড়াইয়ের পাশাপাশি পাহাড়কেন্দ্রিক সন্ত্রাসী তৎপরতা উপকূলের সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা মনে করছেন, উপকূলীয় এলাকার এই পরিশ্রমী ও শান্তিপ্রিয় মানুষগুলোর জীবন নিরাপদ করতে সাগরে নৌ-নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি পাহাড়ের সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি বাড়ানো জরুরি। তবেই এই জনপদের মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd