• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ হাবিবকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৫ ইনানী সৈকতে নলকূপে মিলল গ্যাস, মিটার বসিয়ে পরিমাপের সিদ্ধান্ত-ইউএনও পান্না আকতার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা ৪ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নেয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফের মিঠাপানিরছড়ায় আলোচিত বোন হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও ১নং এজাহারনামীয় মোঃ ইদ্রিস এসআরবি-১৫ এর অভিযানে গ্রেফতার টেকনাফ সরকারি কলেজে পাসের হার ২৫.৯১ শতাংশে, জিপিএ-৫ শূন্য হোয়ানক কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ২১.৫9 শতাংশে, পাস করেছেন ১৯ জন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিপর্যয়: পাস করেনি একজন শিক্ষার্থীও ফেল করা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এক মাসের প্রস্তুতিতে ফের পরীক্ষার সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী কক্সবাজার সিটি কলেজে পাসের হার ২৬.৩৬% – ৯৩৭ শিক্ষার্থীর ফেল, পাস মাত্র ২৪৭

রামুর নুরুল ইসলামের ছেলে জিয়াউরের বাড়ি থেকে ১০ হাজার ইয়াবা জব্দ, বিজিবির অভিযানে অভিযুক্তের পলায়ন

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ১৪১ Time View
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার ১৫ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে এক সন্দেহভাজন চোরাকারবারি পালিয়ে যায়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সদর দপ্তরের একটি বিশেষ টহলদল হাজিরপাড়া সুইচগেট দোকান সংলগ্ন এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করে।
বিজিবি জানায়, জিয়াউর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজন চোরাকারবারি জিয়াউর রহমান (৩২) পালিয়ে যায়। তিনি কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বালুবাসা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।
পরে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় এক কাটে থাকা ১০ হাজার ১৫ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। স্থানটি সীমান্তের শূন্যলাইন থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার পশ্চিমে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির জানান, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করছে এবং সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd