• মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফ ও উখিয়ায় ৩০০ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে ৬৪ বিজিবি মাদক কেনাবেচায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস শাহপরীরদ্বীপে বন্যার্তদের পাশে জেলা জামায়াত আমীর মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান; কক্সবাজারে ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ রামুতে ৪ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি বাবুল গ্রেফতার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কোস্ট গার্ড, উপকূলীয় এলাকায় ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত টেকনাফে বিএনপি নেতা ওসমান গণীর পিতার জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল রামুর ৪ ইউনিয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের পক্ষে ডা. মোহাম্মদুল হক জনির ত্রাণ বিতরণ চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ৪০০ বোতল বিদেশি মদ জব্দ। বাঁশখালীতে ২ অবৈধ ট্রলিং বোট ও জালসহ ৩৭ জেলে আটক

মাদক কেনাবেচায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস

নিউজ ডেস্ক। / ২২ Time View
Update : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

অনলাইন বা ডিজিটাল মাধ্যমে মাদকের বিস্তার রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে নতুন একটি বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে তা অনুমোদিত হয়।
​প্রস্তাবিত এই নতুন আইনে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মাদকের অপরাধ দমনে বেশ কিছু যুগান্তকারী ও কঠোর ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
​বিলের মূল দিক ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনসমূহ:
​সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড: অনলাইনে মাদক বেচাকেনা, সরবরাহ, লজিস্টিকস, বিজ্ঞাপন, মধ্যস্থতা কিংবা যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
​প্রমাণে শিথিলতা (ডিজিটাল প্রমাণ): নতুন এই সংশোধনী অনুযায়ী, সাইবার মাধ্যমে মাদক অপরাধ প্রমাণের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে সরাসরি মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা বাধ্যতামূলক নয়। ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণই অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট বলে গণ্য হবে।
​বিশেষায়িত অবকাঠামো ও ট্রাইব্যুনাল: মাদক সংক্রান্ত অপরাধের দ্রুত বিচারের জন্য পৃথক ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করা হবে। এছাড়া একটি ডেডিকেটেড ‘মাদকসংক্রান্ত সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ শাখা’ এবং ‘ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব’ স্থাপন করা হবে।
​আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আধুনিকায়ন: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আত্মরক্ষার্থে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অধিদপ্তরের নিজস্ব হাজতখানা, অস্ত্রাগার এবং ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান রাখা হয়েছে বিলে।
​পরবর্তী ধাপ:
সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী, বিলটি এখন রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতি এতে স্বাক্ষর করলেই এটি পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হবে এবং গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd