• রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নগদ অর্থ সহায়তা পেলেন আশা ঈদগাঁও শাখার সদস্যরা টেকনাফের দমদমিয়ায় দিনদুপুরে বাসে হানা দিল ডাকাত দল, যাত্রীদের মালামাল লুট উখিয়ার তুতুরারবিলের সিএনজি চালক হামিদুল রেজুখাল চেকপোস্টে ৪,৫০০ ইয়াবাসহ আটক টেকনাফের দমদমিয়া চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে দেশীয় চোলাই মদ ও বাসসহ দুই অভিযুক্ত আটক টেকনাফে অপরাধমুক্ত গড়ার প্রত্যয়: পুলিশ ও জনতার যৌথ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামাবাদ রেলস্টেশন পরিদর্শনে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী, দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাবিরতির আশ্বাস নদীপথে পাচারের সময় ১ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল চোরাকারবারী বর্ষায় কাদায় ডুবে পোকখালীর দক্ষিণ চরপাড়া সড়ক, দুর্ভোগে শিক্ষার্থী-জনসাধারণ ঈদগাঁও ইসলামপুরে বোট মাঝিদের সঙ্গে এমপি লুৎফুর রহমান কাজলের সৌজন্য সাক্ষাৎ উখিয়ায় বৌদ্ধ বিহারে হামলা ও ভাঙচুর: নেপথ্যে কি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা?

চকরিয়ায় চাঞ্চল্য: বাবার হত্যাকারী ছেলে, কিন্তু মামলায় ফাঁসানো হলো অন্যদের

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৮৯ Time View
Update : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

চকরিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে বাবা খুন: জমি বিরোধের জেরে হত্যা মামলায় নিরপরাধদের জড়ানোর অভিযোগ
​চকরিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে বাবা খুনের এক হৃদয়বিদারক ও নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটা এই হত্যাকাণ্ডে ঘাতক ছেলেকে স্থানীয়রা হাতেনাতে ধরে পুলিশের সোপর্দ করলেও, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তিদের জড়ানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘাতক ছেলে মিনারুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিল। তার বেপরোয়া আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে একপর্যায়ে বাবা খলিলুর রহমান নিজেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মিনারুল এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করে। মাত্র ১০-১১ দিন আগে সে জেল থেকে বের হয় এবং এরপর থেকেই বাবাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল।
​এরই জেরে গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর খলিলুর রহমানকে একা পেয়ে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে মিনারুল। হামলার ভয়াবহতা ছিল রীতিমতো শিউরে ওঠার মতো। ধারালো অস্ত্রের কোপে নিহতের মুখ থেকে দাঁড়ির গোড়া পর্যন্ত কেটে যায় এবং বাম হাতের কবজিসহ বাহুর অংশ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

হত্যাকাণ্ডের পরপরই স্থানীয় লোকজন ধারালো দাসহ মিনারুলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আটক হওয়ার পর সবার সামনেই সে বাবাকে হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করে। পুলিশের কাছেও তার প্রাথমিক স্বীকারোক্তি রয়েছে। এলাকাবাসীর কাছে এটি একেবারেই স্পষ্ট যে, এই হত্যাকাণ্ডের একমাত্র সরাসরি অভিযুক্ত মিনারুলই, দাবি এলাকা বাসির।

নিরপরাধীদের জড়ানোর অভিযোগ ও পেছনের কারণ
হত্যাকাণ্ডের চিত্র দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হলেও, থানায় দায়ের করা এজাহারে ঘাতক মিনারুলের পাশাপাশি আরও তিনজনকে আসামি করায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
​অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির আরেক ছেলে ছাদেক দীর্ঘদিন ধরে বড়ুয়া পাড়ার একটি গোষ্ঠীর জায়গা দখল করে আছেন। এ নিয়ে আদালতে তাদের একটি মামলাও চলমান। স্থানীয়দের অভিযোগ, মূলত জমি সংক্রান্ত সেই পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে এই হত্যা মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের নাম যুক্ত করা হয়েছে।

যেখানে প্রত্যক্ষদর্শী, আলামত এবং আটককৃত আসামির স্বীকারোক্তি একদম স্পষ্ট, সেখানে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা মামলার মতো গুরুতর ঘটনায় জড়ানোর অপচেষ্টায় সচেতন মহলে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
​এলাকাবাসী চকরিয়া থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি বিষয়টি নিরপেক্ষ ও কঠোরভাবে তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd