
কক্সবাজার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬: জেলার প্রধান সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা ক্লিনার, টলিবয় এবং অন্যান্য সহায়ক কর্মীদের অসৌজন্যমূলক আচরণ ও অতিরিক্ত দাপটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
ভুক্তভোগী রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের ভেতরে রোগীদের ট্রলি বহন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কিংবা ছোটখাটো সহায়তার নামে এসব কর্মী প্রায়ই অস্বাভাবিক আচরণ করেন। কেউ কেউ টাকা না পেলে ট্রলি দিতে অস্বীকার করেন, আবার কেউ কেউ রোগীদের সঙ্গে অভদ্র ভাষায় কথা বলেন বা হুমকি দেন। অনেক সময় রোগীদের অসুস্থ অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় শুধু এদের খুশি করার জন্য।
এক রোগীর স্বজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগেই টলিবয়দের সঙ্গে ঝামেলা লেগে যায়। টাকা না দিলে ট্রলি দেয় না, দিলেও খারাপ ব্যবহার করে। এতে রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এ ধরনের অভিযোগ আগেও উঠেছে। কয়েক বছর আগে ক্লিনাররা এমনকি ডাক্তারের মতো চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল। তবে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি বলে রোগীদের অভিযোগ।
স্থানীয়রা মনে করছেন, হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও অশিক্ষা, প্রশিক্ষণের অভাবে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। রোগীদের সেবা প্রদানের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে সদর হাসপাতালে এ ধরনের অব্যবস্থাপনা দূর করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে সচেতন মহলের দাবি।