• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাংবাদিক সমাজের তীব্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে মুক্তি পেলেন হাফিজুর রহমান শফিক রামুতে ছাত্রলীগের শোডাউন: সাদ্দাম-মিশুকসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা টেকনাফে ৩০ লিটার মদ ও ইজিবাইক টমটমসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার পেকুয়া-চকরিয়ায় সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন ২ হাজার মানুষ সংরক্ষিত বন রক্ষায় গিয়ে বারবার হামলার শিকার বনকর্মীরা: রামুতে আহত রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ কক্সবাজারে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করল সদর থানা পুলিশ, গ্রেপ্তার ১ ঈদগাঁও ও মহেশখালীর মাতাবাড়ীতে অবশেষে অনুমোদিত হলো ২ নতুন ফায়ার স্টেশন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, কর্মস্থল কক্সবাজার রামুর খুনিয়াপালংয়ে ওষুধবাহী গাড়ি ও সিএনজি সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৪ উখিয়ায় নাশকতার মামলায় জুলাই আন্দোলনকারী ছাত্র ও ব্যবসায়ী কারাগারে: মূল আয়োজকরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

ভারতের মাটিতে হাসিনার উসকানি: অন্তর্বর্তী সরকারের গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক। / ২৯৯ Time View
Update : রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬


ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য নিয়ে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত এবং পলাতক শেখ হাসিনাকে দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে হস্তান্তর না করে উল্টো তাকে প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারকে অপসারণ এবং আসন্ন সাধারণ নির্বাচন ব্যাহত করার আহ্বান জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারি দিল্লিতে “Save Democracy in Bangladesh” শীর্ষক অনুষ্ঠানে (যা অডিও বার্তার মাধ্যমে প্রচারিত হয়) শেখ হাসিনা তার দলীয় কর্মী ও সাধারণ জনগণকে সন্ত্রাসী ও সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর স্পষ্ট উসকানি দিয়েছেন। এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে বলে মন্ত্রণালয় মনে করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, বাংলাদেশ সরকারের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ভারত দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির বাধ্যবাধকতা পালন করেনি। এর পরিবর্তে পলাতক নেতাকে ভারতের রাজধানীতে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ প্রদান করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতি—সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণ—এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এ ঘটনাকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার প্রতি হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর এবং আঞ্চলিক শান্তির জন্যও বিপজ্জনক। সরকার আশা করে, ভারত এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd