• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪০ হাজার বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করল ৩৪ বিজিবি আজ ৩ নভেম্বর ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবস: কারাগারের ঘেরাটোপে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল জাতীয় চার নেতার জীবন কক্সবাজারে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ব্যবসায়ী আলী আহমদ কোম্পানি টেকনাফের বড়ইতলীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা ও সিএনজি জব্দ ঈদগাঁওতে ড্রেজারে অবৈধ বালি উত্তোলন: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও মেশিন জব্দ গর্ভনিরোধক বড়ি শুধু নারীদের নয়, এবার আসছে পুরুষদের জন্যেও দৈনিক ‘নিউ এজ’র কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হলেন তারেকুর রহমান টেকনাফে এসআরবি-বিজিবির যৌথ অভিযান, ১ লাখ ২৯”হাজার ৬০০ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪ টেকনাফে বিজিবি-এসআরবি’র যৌথ অভিযান: ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪ টেকনাফে ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সারসহ ৯ পাচারকারী আটক

ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি অর্জন করা একুশে পদক পাওয়া কবি, ছড়াকার ও লেখক সুকুমার বড়ুয়া মা-রা গেছেন

Reporter Name / ৩৩৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬

ছড়াসম্রাট’ খ্যাতি অর্জন করা একুশে পদক পাওয়া কবি, ছড়াকার ও লেখক সুকুমার বড়ুয়া মা-রা গেছেন । আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামের রাউজানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

সুকুমার বড়ুয়ার জন্ম ১৯৩৮ সালের ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানার মধ্য বিনাজুরি গ্রামে। তার বাবার নাম সর্বানন্দ বড়ুয়া  এবং মা কিরণবালা বড়ুয়া । ব্যক্তিগত জীবনে সুকুমার বড়ুয়ার তিন মেয়ে এবং এক ছেলের জনক।

বর্ণজ্ঞান থেকে প্রথম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি মামাবাড়ির স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। এরপর বড় দিদির বাড়িতে গিয়ে ডাবুয়া খালের পাশে ‘ডাবুয়া স্কুল’-এ ভর্তি হন। কিন্তু সেই স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর তার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। অল্প বয়স থেকেই তিনি বিভিন্ন সময় মেসে কাজ করেছেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য একটা সময় তিনি ফলমুল, আইসক্রিম, বুট-বাদাম ইত্যাদি ফেরি করে বিক্রি করেছেন। ১৯৬২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে ৬৪ টাকা বেতনে চাকরি হয় তার। ১৯৭৪ সালে পদোন্নতি পেয়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হন। ১৯৯৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টোরকিপার হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

সুকুমার বড়–য়ার বিখ্যাত কিছু সাহিত্যকর্ম হলো ‘পাগলা ঘোড়া’, ‘ভিজে বেড়াল’, ‘চন্দনা রঞ্জনার ছড়া’, ‘এলোপাতাড়ি’ এবং ‘নানা রঙের দিন’। তার ১০১টি ছড়া- ‘চিচিং ফাঁক’, ‘কিছু না কিছু’, ‘প্রিয় ছড়া শতক’, ‘বুদ্ধ চর্চা বিষয়ক ছড়া’, ‘ঠুস্ঠাস্’, ‘নদীর খেলা’, ‘আরো আছে’, ‘ছড়া সমগ্র’, ‘ঠিক আছে ঠিক আছে’, ‘কোয়াল খাইয়ে’, ‘ছোটদের হাট’, ‘লেজ আবিষ্কার’ প্রভৃতি। তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৯৭ সালে অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য সম্মাননা, ১৯৯৯ সালে আলাওল শিশুসাহিত্য পুরস্কার এবং ২০১৭ সালে একুশে পদক লাভ করেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd