• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প ভ্যানচালক স্বামীর সংসারে লড়াই থেকে আজ সফল উদ্যোক্তা: বদলে যাওয়া মরিয়মের গল্প অন্যকে মা-বাবা সাজিয়ে এনআইডি-পাসপোর্ট তৈরি, রাঙ্গুনিয়ায় ফয়সাল আটক নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪০ হাজার বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করল ৩৪ বিজিবি আজ ৩ নভেম্বর ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবস: কারাগারের ঘেরাটোপে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল জাতীয় চার নেতার জীবন কক্সবাজারে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ব্যবসায়ী আলী আহমদ কোম্পানি টেকনাফের বড়ইতলীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা ও সিএনজি জব্দ

সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংবাদ প্রকাশের জের ধরে কোনো সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যম বা গণমাধ্যমের মালিক ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের গ্রেপ্তারের আগে সংশ্লিষ্ট আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়ার বাধ্যতামূলক বিধান যুক্ত হতে যাচ্ছে প্রস্তাবিত ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এ। স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য হয়েছে।

​বুধবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন নীতি-নির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।

​সভা শেষে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে খসড়া আইনটি পরিমার্জন করা হচ্ছে, যেন নতুন এই আইন স্বাধীন সাংবাদিকতা রোধে কিংবা সংবাদকর্মীদের হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে না পারে।

​সংশোধনীতে যেসব বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব:

  • ​আদালতের অনুমতি ও আইনি প্রক্রিয়া: সংবাদের কারণে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতির পাশাপাশি যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে সঠিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের বাধ্যবাধকতা রাখা হচ্ছে।
  • ​মানহানি ও সাইবার বুলিংয়ের ধারা পুনর্বিন্যাস: মানহানি, হেয় প্রতিপন্ন করা ও সাইবার বুলিংয়ের বিষয়গুলো আলাদাভাবে চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। মানহানির সংজ্ঞা ও শাস্তির ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত দণ্ডবিধির (পেনাল কোড) সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
  • ​অপতথ্য ও গুজবের স্পষ্ট সংজ্ঞা: আইনের অস্পষ্টতার সুযোগে হয়রানি ঠেকাতে ‘গুজব’ ও ‘অপতথ্য (মিসইনফরমেশন)’—এর সংজ্ঞাকে আরও স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
  • ​মোবাইল কোর্ট বাতিল ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা: খসড়ায় কোনো মোবাইল কোর্টের বিধান রাখা হচ্ছে না। এছাড়া যে কোনো মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে লিখিত নোটিশ দিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে।
  • ​ডিজিটাল কনটেন্ট সরাতে নির্দিষ্ট সময়সীমা: কোনো ডিজিটাল কনটেন্ট ব্লক বা অপসারণের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে লিখিত কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে এবং অবমুক্তির আবেদন নিষ্পত্তির জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

​সভায় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের নতুন সদস্যকাঠামোতে গণমাধ্যম প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তি এবং মেটা ও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে আইসিটি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামানসহ সরকারের বিভিন্ন স্তরের নীতি-নির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd