• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ হাবিবকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৫ ইনানী সৈকতে নলকূপে মিলল গ্যাস, মিটার বসিয়ে পরিমাপের সিদ্ধান্ত-ইউএনও পান্না আকতার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা ৪ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নেয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফের মিঠাপানিরছড়ায় আলোচিত বোন হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও ১নং এজাহারনামীয় মোঃ ইদ্রিস এসআরবি-১৫ এর অভিযানে গ্রেফতার টেকনাফ সরকারি কলেজে পাসের হার ২৫.৯১ শতাংশে, জিপিএ-৫ শূন্য হোয়ানক কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ২১.৫9 শতাংশে, পাস করেছেন ১৯ জন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিপর্যয়: পাস করেনি একজন শিক্ষার্থীও ফেল করা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এক মাসের প্রস্তুতিতে ফের পরীক্ষার সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী কক্সবাজার সিটি কলেজে পাসের হার ২৬.৩৬% – ৯৩৭ শিক্ষার্থীর ফেল, পাস মাত্র ২৪৭

শুভ বিজয়া ২০২৬: “আসছে বছর আবার হবে মা” – সুরের মূর্ছনায় দেবী দুর্গাকে বিদায়

বিশেষ প্রতিনিধি। / ৪৫ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

​বিশেষ প্রতিবেদন:

মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে যে আনন্দ উৎসবের সূচনা হয়েছিল, বিজয়া দশমীর সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে তার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটলো। চারপাশের ঢাকের আওয়াজ আর কাঁসরের ধ্বনি যেন একই সুরে বলে উঠলো— “আসছে বছর আবার হবে মা!”

​আনন্দময়ীর বিদায়বেলায় বিষাদের সুর বাজলেও, ভক্তদের হৃদয়ে এখন শুধুই পুনর্মিলনের প্রতীক্ষা। চারদিনের পুজো শেষে আনন্দময়ী মা উমা আবার ফিরে গেছেন কৈলাসে, তাঁর স্বামী দেবাদিদেব মহাদেবের আলয়ে।

​ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা ও মিষ্টি মুখ

​দশমীর সকালে মণ্ডপে মণ্ডপে নেমে আসে ভক্তদের ঢল। বিবাহিত নারীরা মা দুর্গার চরণে সিঁদুর অর্পণ করেন এবং একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন। দেবী বরণের পর মিষ্টি মুখের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজয়ার প্রথাগত শুভেচ্ছা বিনিময়। একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি, ছোটদের প্রণাম এবং বড়দের আশীর্বাদ নেওয়ার মধ্য দিয়ে চারপাশের সামাজিক মেলবন্ধন আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে।

​সুরক্ষায় ঘাট ও শোভাযাত্রা

​বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে একের পর এক প্রতিমা নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ঘাটের অভিমুখে রওনা হয়। বিভিন্ন নদ-নদী ও জলাশয়ে সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের পক্ষ থেকে ঘাটে ঘাটে নেওয়া হয়েছিল বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

​আশার আলো ও আগামী বছরের প্রতীক্ষা

​দেবী বিসর্জনের সাথে সাথেই ২০২৬ সালের শারদোৎসবের বিদায় ঘণ্টা বাজলো। তবে বিষাদের আবহ ছাপিয়ে সবার মুখে একই প্রতিশ্রুতি—আগামী বছর মা আবার আসবেন, সাথে নিয়ে আসবেন নতুন আনন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd