• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ৫ পাচারকারী আটক উখিয়ায় ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন আটক নাম গোপন করে আত্মগোপন, অবশেষে টেকনাফে গ্রেপ্তার ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি চকরিয়ায় অস্ত্র ও ৮২৫ রাউন্ড গুলিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেফতার টেকনাফে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: পাচারকারীদের ২০ আস্তানা ধ্বংস, অপহৃত কিশোর উদ্ধার টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৬ লাখ ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফের উত্তর চৌধুরীপাড়ার আয়াছ ও রফিক আটক: টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার চেইন্দায় মাইনুদ্দীন রাসেল হত্যা মামলার পলাতক আসামি শাহজাহান গ্রেপ্তার টেকনাফের কচ্ছপিয়ায় নতুন পুলিশ ফাঁড়ির জায়গা পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী সন্তানের ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত বাবা, অবশেষে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস

নদীপথে পাচারের সময় ১ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল চোরাকারবারী

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ৬৩ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

কক্সবাজারের উখিয়ায় সীমান্তবর্তী নদীপথ দিয়ে পাচারের সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় আনুমানিক তিন কোটি ৩০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী উলুবুনিয়া পুরাতন বিজিবি পোস্ট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৪-৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন।

এ সময় চোরাকারবারীরা ইয়াবাভর্তি ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে তারা একটি ব্যাগ ফেলে দ্রুত মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাগের ভেতর খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী ১১টি প্যাকেট থেকে মোট ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য তিন কোটি ৩০ লাখ টাকা।

বিজিবি জানায়, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘ সময় চিরুনি অভিযান চালিয়েও পলাতক চোরাকারবারীদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, মাদক সরবরাহকারী ও এর সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd