• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফ সীমান্তে জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারকালে তরুণ গ্রেপ্তার উখিয়ায় ৩ লাখ ১০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক মো. জোনায়েত আটক টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক তুমব্রু সীমান্তে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ৫ পাচারকারী আটক উখিয়ায় ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন আটক নাম গোপন করে আত্মগোপন, অবশেষে টেকনাফে গ্রেপ্তার ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি চকরিয়ায় অস্ত্র ও ৮২৫ রাউন্ড গুলিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেফতার টেকনাফে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: পাচারকারীদের ২০ আস্তানা ধ্বংস, অপহৃত কিশোর উদ্ধার টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৬ লাখ ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ১২১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

টেকনাফে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক রাইডারকে শনাক্ত করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে এবং মাদক পাচারচক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় অবস্থিত স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের একটি পার্সেলের ভেতরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। পরে বিজিবি ও টেকনাফ মডেল থানার পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে ব্লুটুথ স্পিকার হিসেবে ঘোষিত একটি পার্সেল সন্দেহজনক মনে হলে সেটি খুলে দেখা হয়। স্পিকারের ভেতরের বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ অপসারণ করে কালো স্কচ টেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেটের মধ্যে মোট ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
বিজিবি জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে পার্সেলটি নারায়ণগঞ্জ থেকে টেকনাফে পাঠানো হয়েছিল। পরে ‘পণ্যটি সঠিক নয়’ উল্লেখ করে সেটি ফেরত পাঠানোর উদ্দেশ্যে কুরিয়ার সার্ভিসে জমা দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের তথ্যভাণ্ডার পর্যালোচনায় পার্সেল বহনকারী হিসেবে এক রাইডারের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, পার্সেল জমা দেওয়ার পর তিনি দ্রুত কর্মস্থল ত্যাগ করেন।
উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় পলাতক হিসেবে মো. জামাল (পিতা-অজ্ঞাত), গ্রাম-নয়াপাড়া, ডাকঘর-সাবরাং, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজারের নাম উল্লেখ করেছে বিজিবি।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।
উদ্ধার করা ইয়াবা ও সংশ্লিষ্ট আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd