• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফ সীমান্তে জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারকালে তরুণ গ্রেপ্তার উখিয়ায় ৩ লাখ ১০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক মো. জোনায়েত আটক টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক তুমব্রু সীমান্তে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ৫ পাচারকারী আটক উখিয়ায় ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন আটক নাম গোপন করে আত্মগোপন, অবশেষে টেকনাফে গ্রেপ্তার ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি চকরিয়ায় অস্ত্র ও ৮২৫ রাউন্ড গুলিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেফতার টেকনাফে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: পাচারকারীদের ২০ আস্তানা ধ্বংস, অপহৃত কিশোর উদ্ধার টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৬ লাখ ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র কারখানার সন্ধান, মিন্টু বাহিনীর প্রধান আটক

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ৮০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানকের কেরুনতলী সংলগ্ন গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী ‘মিন্টু বাহিনী’র প্রধান ইমাম হোসেন মিন্টু (৩৮)-কে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, হোয়ানকের কেরুনতলী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্র অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সঙ্গে চক্রটি জলদস্যুতা, ডাকাতি, পর্যটকদের ওপর হামলা এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল।
এ তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন শাহপরীরদ্বীপ, টেকনাফ, বাহারছড়া, ইনানী, কক্সবাজার ও মহেশখালীর সমন্বয়ে মিন্টু বাহিনীর আস্তানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ইমাম হোসেন মিন্টুকে আটক করা হয়।
অভিযানে ৫টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৯টি দেশীয় পিস্তল, একটি বিদেশি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড তাজা গুলি, ১২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, একটি দেশীয় অস্ত্র, ৩ লিটার দেশীয় মদ এবং আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ইমাম হোসেন মিন্টু মহেশখালীর হোয়ানক এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ‘মিন্টু বাহিনী’র প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে ১৫টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
কোস্ট গার্ডের দাবি, মিন্টুর গ্রেপ্তারের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ অস্ত্র সরবরাহকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য এসেছে। একই সঙ্গে মহেশখালীসহ পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে ও লবণচাষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাহিনীর অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য আলামতসহ আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd