• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
হোয়াইক্যং সীমান্তে ২০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন ইয়াবা কারবারি আটক টেকনাফ সীমান্তে জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারকালে তরুণ গ্রেপ্তার উখিয়ায় ৩ লাখ ১০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক মো. জোনায়েত আটক টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক তুমব্রু সীমান্তে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ৫ পাচারকারী আটক উখিয়ায় ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন আটক নাম গোপন করে আত্মগোপন, অবশেষে টেকনাফে গ্রেপ্তার ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি চকরিয়ায় অস্ত্র ও ৮২৫ রাউন্ড গুলিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেফতার টেকনাফে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: পাচারকারীদের ২০ আস্তানা ধ্বংস, অপহৃত কিশোর উদ্ধার

টেকনাফের জালিয়াপাড়ায় ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ১০৭ Time View
Update : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। এ সময় জাগীর হোসেন (২৮) নামে এক মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।

বুধবার (১ জুলাই) ভোরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধীনস্থ শাহপরীরদ্বীপ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ নাফ নদী এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
বিজিবি জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায়, মায়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে শাহপরীরদ্বীপ সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপনে কৌশলগত অবস্থান নেয়।
পরে প্রযুক্তিগত নজরদারিতে নাফ নদীর মায়ানমার অংশে একটি সন্দেহজনক হস্তচালিত নৌকার গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। একপর্যায়ে চাঁদের আলোয় এক ব্যক্তিকে দুটি বস্তা নিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিজিবির নৌ টহল দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
আটকের পর দুটি বস্তা তল্লাশি করে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
আটক জাগীর হোসেন টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা, রাডারভিত্তিক নজরদারি, স্থল ও নৌ টহল এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তি ও জব্দ করা ইয়াবা নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd