টেকনাফে প্রতিনিধি :মিসবাহ উল্লাহ
টেকনাফের কচ্ছপিয়া এলাকার শীর্ষ মানবপাচার চক্রের অন্যতম হোতা ছৈয়দুল হককে গ্রেপ্তার করেছে রামু থানা পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বহুল আলোচিত আন্দামান সাগরে ২৭৩ জন ভাগ্যাহত মানুষকে ট্রলারে করে পাচারের নেপথ্যে ছৈয়দুল হক ও তার শক্তিশালী সিন্ডিকেট জড়িত ছিল।
দৈনিক খবর কক্সবাজার-এর অনুসন্ধানে জানা যায় , দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফের বাহারছড়া ও উপকূলীয় এলাকাকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল এই চক্রটি। নিরীহ মানুষদের মালয়েশিয়ায় ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ ও জিম্মি করে সাগরপথে পাচার করাই ছিল এদের মূল কাজ।
সাম্প্রতিক সময়ে আন্দামান সাগরে বিপদে পড়া ২৭৩ জন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিককে পাচারের পেছনে এই ছৈয়দুল হকের সিন্ডিকেটই প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিল বলে তথ্য মিলেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ছৈয়দুল হক এলাকার একজন তালিকাভুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী (গডফাদার)। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ ও রামু থানায় মানবপাচার, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে রামু থানা পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে পারেনি এই অপরাধী।
এই চক্রের সাথে জড়িত টেকনাফ, বাহারছড়া ও কচ্ছপিয়ার অন্যান্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।