দিদারুল আলম জিসান ( কক্সবাজার)
গ্রেফতারকৃত আসামি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন নতুন পল্লান পাড়া ৪ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা মৃতঃ মন্তাজ এর ছেলে মোঃ ফিরোজ (৩৫) ও নাইটংপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদ এর ছেলে মোঃ ফয়সাল (২০)।
গেল মঙ্গলবার উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়ন বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, ০৭ এপ্রিল আনুমানিক ০৭’৩০ ঘটিকায় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি মাছের মিনি পিকআপ শীলখালী অস্থায়ী চেকপোস্টের নিকট আসলে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যগণ কর্তৃক তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর একপর্যায়ে মাছ বোঝাই মিনি পিকআপে থাকা মাছের ড্রামের মধ্যে কালো/খাকী কসটেপ দ্বারা প্যাঁচানো ২০ টি পোটলা যা গণনা করে আনুমনিক ১,৭১,২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় পিকআপ চালক মোঃ ফিরোজ (৩৫), পিতাঃ মৃতঃ মন্তাজ, গ্রামঃ নতুন পল্লান পাড়া ৪ নং ওয়ার্ড ও হেলপার মোঃ ফয়সাল (২০), পিতা-আব্দুল হামিদ, গ্রাম-নাইটংপাড়া উভয়ের থানা-টেকনাফ ও জেলা-কক্সবাজারকে এবং জব্দ করা হয় মাদক পাচারের কাজে ব্যবহৃত মাছ বোঝাই মিনি পিকআপ। ধৃত আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, উল্লেখিত ইয়াবা ট্যাবলেট টেকনাফ লামা বাজার হতে সংগ্রহ করে ঢাকায় যাত্রাবাড়ীতে ডেলিভারী করার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।
উখিয়া বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি আরও জানান, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের টেকনাফ মডেল থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।”
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখা, মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম দমনে সাফল্য অর্জন করে আসছে। মাদকবিরোধী এ সকল অভিযানে টেকনাফবাসীদের ভিতর স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে দিতে সদা প্রস্তুত উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)।