• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প ভ্যানচালক স্বামীর সংসারে লড়াই থেকে আজ সফল উদ্যোক্তা: বদলে যাওয়া মরিয়মের গল্প অন্যকে মা-বাবা সাজিয়ে এনআইডি-পাসপোর্ট তৈরি, রাঙ্গুনিয়ায় ফয়সাল আটক নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪০ হাজার বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করল ৩৪ বিজিবি আজ ৩ নভেম্বর ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবস: কারাগারের ঘেরাটোপে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল জাতীয় চার নেতার জীবন কক্সবাজারে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ব্যবসায়ী আলী আহমদ কোম্পানি টেকনাফের বড়ইতলীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা ও সিএনজি জব্দ ঈদগাঁওতে ড্রেজারে অবৈধ বালি উত্তোলন: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও মেশিন জব্দ

রামুতে ফ্যাসিস্ট পুনরুত্থানের শঙ্কা, থানার কিছু কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

আব্দুল্লাহ আল নোমান,কক্সবাজার / ৫৫৫ Time View
Update : সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক তৎপরতা ও আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে  স্থানীয় মহলে।

বিপ্লবী ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, রামু থানার কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা গোপনে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করছেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে থানার ভেতরে একটি “ধূসর নেটওয়ার্ক” গড়ে উঠেছে, যা গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনে ভূমিকা রাখছে। বিষয়টি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত না করা হলে রামু উপজেলায় আন্দোলনকারী কর্মীদের জীবন নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে জানান ফ্যাসিবাদবিরোধী নাগরিক সমাজ।

এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সমাজসচেতন নাগরিক জানান, অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর এবং তা হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। তারা বলেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও জনআস্থার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত অপরিহার্য।
তাদের মতে, যদি তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে রামু থানার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং প্রকৃত সত্য জনগণের সামনে তুলে ধরা।
স্থানীয় জনগণ আশা করছেন, নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপের মাধ্যমে রামু উপজেলায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং কোনো পক্ষই আইনবহির্ভূত সুবিধা পাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd