• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ইসলামাবাদ এম. আর. এস. ইনস্টিটিউটে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন টেকনাফে অস্ত্রসহ কুখ্যাত ‘ডন রাসেল’ আটক: ৮ মামলার আসামির কাছে মিলল বিদেশি পিস্তল ঈদগাঁওয়ে ৩ কিলোমিটার ‘জিয়া খাল’ খনন কাজের উদ্বোধন কক্সবাজারের টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ ১জন কুখ্যাত মানবপাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। রামুতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর গভীর ষড়যন্ত্র! শ্মশানের ফটকে জঘন্য আস্পর্ধা, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি” সাংবাদিকতার নীতি যখন আইসিইউতে: একটি বিপন্ন পেশার আর্তনাদ-লিখেছেন, আজিম নাহিদ।  উখিয়া সীমান্তে বিজিবি’র অভিযান: ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ৮ হাজার ইয়াবাসহ চালক আটক, সিএনজি জব্দ কক্সবাজারের সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে চলমান বন বিভাগের কঠোর অভিযান উখিয়ায় অবৈধ পাহাড় কাটা ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, ৩ লাখ টাকা জরিমানা

জাতীয় গ্রিডে সংকটের প্রভাব রামুতে: তীব্র গরমে বিপর্যস্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৬ Time View
Update : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

কক্সবাজার, ২২ এপ্রিল ২০২৬: কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ভয়াবহ অনিয়মিততায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। তীব্র গরমের মধ্যে দিনে-রাতে ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন একেবারে অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, কখনো কখনো ৫-৭ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। ফলে গরমে ঘুমাতে পারছেন না বাসিন্দারা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন এবং কর্মজীবী মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্ম একেবারে বিপর্যস্ত। অনেকেই বলছেন, “দেখার কেউ নেই” — বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ দিতে গিয়েও সমাধান মিলছে না।

রামু বিদ্যুৎ সরবরাহ অফিসের আওতাধীন এলাকায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না পাওয়া এবং স্থানীয় চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এই সংকট তীব্র হয়েছে। দেশব্যাপীও এখন লোডশেডিং বেড়েছে, কিন্তু গ্রামীণ এলাকা হিসেবে রামু ও আশপাশের নাইক্ষ্যংছড়িতে এর প্রভাব আরও বেশি।

এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “প্রচণ্ড গরমে ফ্যান ছাড়া থাকা যাচ্ছে না। বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে, খাবার নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু কোনো কর্তৃপক্ষের কোনো সাড়া নেই।”
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা অবশ্য জানিয়েছেন, জাতীয় পর্যায়ের উৎপাদন সংকট ও চাহিদা বৃদ্ধির কারণে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তবে স্থানীয়রা দ্রুত সমাধান চান এবং বলছেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে জনজীবন আরও অসহনীয় হয়ে উঠবে।
প্রশাসন ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানীয়দের দাবি— অবিলম্বে লোডশেডিং কমিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। অন্যথায় এই ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd