কক্সবাজার প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের রামুতে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৫)-এর আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ধারালো অস্ত্র ফেলে পালিয়ে গেছে একাধিক পরোয়ানাভুক্ত ডাকাত সর্দার মোঃ সোহেল রানা ও তার সহযোগী।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ০২:১৫ ঘটিকায় রামু থানাধীন খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধেচুয়াপালং এলাকায় পাকা রাস্তার ওপর এ ঘটনা ঘটে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, পিসিপিআর তথ্য অনুযায়ী পলাতক আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর ও রামু থানায় হত্যা, অস্ত্র, দ্রুত বিচার, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং ডাকাতিসহ মোট ১৭টি মামলা বিচারাধীন ও তদন্তাধীন রয়েছে। সে চিহ্নিত ও অভ্যস্ত অপরাধী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ২৭ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ০১:৪৫ ঘটিকায় এসআরবি-১৫ এর সদর কোম্পানি ও সিপিএসসি, কক্সবাজারের একটি চৌকস দল তুলাবাগান এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সোহেল রানা মোটরসাইকেলযোগে কম্বনিয়াপাড়া থেকে ধেচুয়াপালং বাজারের দিকে যাচ্ছে।
প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি ধেচুয়াপালং এলাকায় পাকা রাস্তার ওপর চেকপোস্ট বসিয়ে দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেয়। এ সময় বাইকের পেছনের আসনে থাকা ব্যক্তি এসআরবি সদস্যদের লক্ষ্য করে কাঠের হাতলযুক্ত একটি ধারালো লোহার ছোরা ছুড়ে মারে। এই সুযোগে সোহেল রানা ও তার সহযোগী দ্রুত মোটরসাইকেলটি ফেলে রেখে অন্ধকারে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত ১টি YAMAHA R15 মোটরসাইকেল এবং ১টি ধারালো দেশিয় ছুরি উদ্ধার করে এসআরবি সদস্যরা।
পলাতক আসামিরা হলো—কক্সবাজার সদর থানার ঝিলংজা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হাজিপাড়ার আবুল হাশেম ড্রাইভারের ছেলে মোঃ সোহেল রানা প্রকাশ হাতি সোহেল (৩৪) এবং রামু থানার কম্বনিয়া ৫নং ওয়ার্ডের লেদু মিয়ার ছেলে মোঃ রুবেল (৩৬)।
উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল ও অস্ত্র আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে এসআরবি-১৫ এর গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।