• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি আহত মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের পৃথক দুইটি অভিযান; টেকনাফে ৫৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারি আটক। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ঈদগাঁওয়ে গণমিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে মালিকবিহীন ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে কালজয়ী সাহিত্য স্মরণ ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ কক্সবাজারের উখিয়ায় সিএনজি চালক আইয়াস উদ্দিন আটক মাদকের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের পৃথক দুইটি অভিযান; টেকনাফে ৩৬ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ হাসিনার পতন হলেও ফ্যাসিবাদের বিলোপ হয়নি’: আসিফ মাহমুদ কক্সবাজারের টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে অপহরণের শিকার ৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার, আটক ১ পাকিস্তানি টিভিতে শাহরিয়ার কবির: ‘শেখ হাসিনাকে আশ্রয় ও বক্তব্য দিতে দেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন

নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে মালিকবিহীন ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ১৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-১১ এর মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মালিকবিহীন ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৬৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এর অধীনস্থ আশারতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার-৪৬ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জারুলিয়াছড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে বিজিবির বিশেষ আভিযানিক দল কয়েকজন চোরাকারবারীকে দেখতে পেয়ে ধাওয়া করে। এ সময় চোরাকারবারীরা একটি ব্যাগ ফেলে জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়।
পরে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে ৯ কার্টনে রাখা মোট ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৮৯ হাজার ১৬ পিস হলুদ রঙের এবং ৯০০ পিস সবুজ রঙের ইয়াবা ছিল।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার রোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd