• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে সেনাসদস্যের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে থাকা সেই ‘ডন’ আলম, জসিম ও রিদওয়ানরা কারা? মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম টেকনাফে মা’দক সন্ত্রা’সীদের হাতে সেনা সদস্য গু’লি’বিদ্ধ, কক্সবাজারে বি’ক্ষো’ভ কক্সবাজারে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে বগুড়ার ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প

নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকার বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ১৬৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ জারুলিয়াছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী প্রধানঝিরি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে কয়েকজন চোরাকারবারী মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবির আভিযানিক দল তাদের ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা বহন করা ইয়াবার কার্টন ফেলে জঙ্গলের ভেতর পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৬টি কার্টনে থাকা মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪ পিস হলুদ এবং ১ হাজার ৬০৪ পিস সবুজ রঙের ইয়াবা রয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, মানবপাচার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিজিবির অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd