• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আবারও ৭-১! কুরাসাওকে ভাসিয়ে ব্রাজিলের ক্ষত মনে করিয়ে দিল জার্মানি প্রতিদিনের কাগজ ও মডেল প্রেস ক্লাবের কক্সবাজার অফিস পরিদর্শনে অতিঃ আইজিপি অবঃ ড. আশরাফ পঞ্চম শিরোপার লক্ষ্যে আজ মাঠে নামছে জার্মানি, প্রতিপক্ষ কুরাসাও কক্সবাজারের উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবা, ২ বিদেশি পিস্তল ও বিপুল অস্ত্রসামগ্রী উদ্ধার দোহাজারী থেকে ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়া শিশু জাবেরুল নিখোঁজ ! জরুরি সন্ধান চাই: (যোগাযোগ: 01838995124, 01862833085) উখিয়া ৬৪ বিজিবি’র অভিযান: শীলখালীতে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী আটক কাল কক্সবাজার আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শেষ মুহূর্তে প্রস্তুত পর্যটন নগরী সিজারের ফাঁদে মাতৃত্ব: কক্সবাজারে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব কক্সবাজারে থাইগ্লাস দোকান থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, পরকীয়ার জেরে আত্মহত্যার ধারণা

টেকনাফের শীর্ষ মানবপাচারকারী ছৈয়দুল হক রামুতে গ্রেপ্তার ​

মিসবাহ উল্লাহ,টেকনাফ উপজেলা। / ৪৮ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬


টেকনাফে প্রতিনিধি :মিসবাহ উল্লাহ

টেকনাফের কচ্ছপিয়া এলাকার শীর্ষ মানবপাচার চক্রের অন্যতম হোতা ছৈয়দুল হককে গ্রেপ্তার করেছে রামু থানা পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, বহুল আলোচিত আন্দামান সাগরে ২৭৩ জন ভাগ্যাহত মানুষকে ট্রলারে করে পাচারের নেপথ্যে ছৈয়দুল হক ও তার শক্তিশালী সিন্ডিকেট জড়িত ছিল।

​দৈনিক খবর কক্সবাজার-এর অনুসন্ধানে জানা যায় , দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফের বাহারছড়া ও উপকূলীয় এলাকাকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল এই চক্রটি। নিরীহ মানুষদের মালয়েশিয়ায় ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ ও জিম্মি করে সাগরপথে পাচার করাই ছিল এদের মূল কাজ।
সাম্প্রতিক সময়ে আন্দামান সাগরে বিপদে পড়া ২৭৩ জন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিককে পাচারের পেছনে এই ছৈয়দুল হকের সিন্ডিকেটই প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিল বলে তথ্য মিলেছে।

​পুলিশ জানিয়েছে, ছৈয়দুল হক এলাকার একজন তালিকাভুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী (গডফাদার)। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ ও রামু থানায় মানবপাচার, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে রামু থানা পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে পারেনি এই অপরাধী।
​এই চক্রের সাথে জড়িত টেকনাফ, বাহারছড়া ও কচ্ছপিয়ার অন্যান্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd