• সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কক্সবাজারে ৬০ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পে নাশকতা, ৫০ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্টসহ ৬ পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড উখিয়া সীমান্তে বিজিবি’র বড় সাফল্য: ৪ কোটি ২০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজারের উখিয়ায় বিশেষ অভিযানে গোলাবারুদ ও দেশীয় দা উদ্ধার সেন্টমার্টিন ও চট্টগ্রামে কোস্ট গার্ডের পৃথক ২টি অভিযান; বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক ও বিদেশি মদ জব্দ। প্রবাসীর পৈশাচিকতা: স্ত্রীকে তালাক দিয়ে নগ্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ১০ বছর পর র‍্যাবের খাঁচায় ২১ মামলার আসামি কলিম উল্লাহ খুরুশকুলে নয়ন সাধুকে নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিশাল বিক্ষোভ ও মানববন্ধন ইসলামাবাদ এম. আর. এস. ইনস্টিটিউটে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন টেকনাফে অস্ত্রসহ কুখ্যাত ‘ডন রাসেল’ আটক: ৮ মামলার আসামির কাছে মিলল বিদেশি পিস্তল

কক্সবাজারে ৬০ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পে নাশকতা, ৫০ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৫ Time View
Update : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার

কক্সবাজারের পোকখালী ইউনিয়নে অবস্থিত ৬০ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের একাধিক টাওয়ারে সম্পদ চুরি, অবকাঠামো ধ্বংস ও নাশকতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ইউ-এস ডিকে গ্রীন এনার্জি (বিডি) লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল, পিএমখালী, চৌফলদণ্ডী ও পোকখালী এলাকায় ২২টি উইন্ড টাওয়ারের মাধ্যমে ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই কেন্দ্রটি কক্সবাজার ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে গত তিন বছর ধরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে।

অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি রাতের আঁধারে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা পোকখালী ইউনিয়নে অবস্থিত বায়ু বিদ্যুৎ টাওয়ার নং-০১, ০২, ০৩, ০৪ ও ০৫ এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ রাস্তার মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে টারবাইন প্ল্যাটফর্মের মাটি চুরি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্রাংশ ও সাপ্লাই লাইনের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতি সাধন করছে।

এর ফলে প্রকল্পটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম প্রতিনিয়ত ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

প্রোডাকশন ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মি. ইসন স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। এ অবস্থায় জাতীয় গ্রিডে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তির নাশকতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এতে শুধু কোম্পানির ক্ষতিই নয়, জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। অভিযোগের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ইলেক্ট্রিক্যাল ক্যাবল, রাস্তা, প্ল্যাটফর্ম ও একটি এস্কেভেটরের ছবিও সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

উল্লেখ্য যে , এ প্রকল্পটি একটি ইউনিক বাংলাদেশের প্রথম নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ হিসেবে সকলের কাছে এই সুচারু ও নির্বিঘ্ন উৎপাদন বৃদ্ধিতে কক্সবাজার বাসীর প্রতি যত্নশীল হওয়ার প্রতি গুরত্বআরোপ করেন করেন বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনাকারী দায়িত্বশীল সূত্র এবং দ্রুত এ ধরনের কর্মকান্ডে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জোর তাগিদ দিয়েছেন ‌ ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd