• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে সেনাসদস্যের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে থাকা সেই ‘ডন’ আলম, জসিম ও রিদওয়ানরা কারা? মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম টেকনাফে মা’দক সন্ত্রা’সীদের হাতে সেনা সদস্য গু’লি’বিদ্ধ, কক্সবাজারে বি’ক্ষো’ভ কক্সবাজারে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে বগুড়ার ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প

টেকনাফে আসামীবিহীন ৬,১২৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করল বিজিবি

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ২১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

 

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক পাচারের অপচেষ্টা ব্যর্থ করে বিশেষ অভিযানে আসামীবিহীন ৬,১২৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সুত্রে জানায়, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ এপ্রিল রাতে টেকনাফ বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, মায়ানমার থেকে একটি মাদকের চালান খুচরা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে টেকনাফ পৌরসভার কচুবনিয়া এলাকায় প্রবেশ করবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের পরিকল্পনায় কচুবনিয়া এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয় বিজিবির একটি আভিযানিক দল।
পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এক ব্যক্তি ব্যাগে করে মাদকের চালান নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করলে বিজিবি সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে। এ সময় অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি ব্যাগটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে ৬,১২৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৮ লাখ ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা।
বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, আভিযানিক দলের তাৎক্ষণিক ও কৌশলগত পদক্ষেপের ফলে মাদক পাচারের এই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd