• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে সেনাসদস্যের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে থাকা সেই ‘ডন’ আলম, জসিম ও রিদওয়ানরা কারা? মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম টেকনাফে মা’দক সন্ত্রা’সীদের হাতে সেনা সদস্য গু’লি’বিদ্ধ, কক্সবাজারে বি’ক্ষো’ভ কক্সবাজারে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে বগুড়ার ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প

কক্সবাজারে ৫,৭০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক

দিদারুল আলম(জিসান) সিনিয়র'রিপোর্টার' কক্সবাজার / ২২২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

দিদারুল আলম জিসান: কক্সবাজার

কক্সবাজারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র টহলদলের তল্লাশি কার্যক্রম ও পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ৫,৭০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন আসামিকে আটক করা হয়েছে।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ রেজুখাল চেকপোস্টে পরিচালিত পৃথক দুটি অভিযানে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রথম অভিযানে, টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি সিএনজি তল্লাশি করে সন্দেহভাজন যাত্রী হামিদ (২৮) কে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার পেটে ইয়াবা বহনের কথা স্বীকার করেন। পরে তার পেটের ভেতর থেকে পায়ুপথের মাধ্যমে ৩,৭৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পাচারে ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
দ্বিতীয় অভিযানে, একই সময় আরেকটি সিএনজি তল্লাশি করে রোহিঙ্গা যুবক ফাহিম (২১) কে আটক করা হয়। তিনিও জিজ্ঞাসাবাদে পেটে ইয়াবা বহনের কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তার পেটের ভেতর থেকে পায়ুপথের মাধ্যমে ১,৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে সক্রিয় রয়েছেন । এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ ৩৪ বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এসব অভিযানের ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বস্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd