• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে সেনাসদস্যের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে থাকা সেই ‘ডন’ আলম, জসিম ও রিদওয়ানরা কারা? মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম টেকনাফে মা’দক সন্ত্রা’সীদের হাতে সেনা সদস্য গু’লি’বিদ্ধ, কক্সবাজারে বি’ক্ষো’ভ কক্সবাজারে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে বগুড়ার ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প

চাঁদাবাজি প্রত্যাখ্যানের ‘দাম’ প্রাণ দিয়ে দিলেন গণেশ পাল, ২৪ ঘন্টার মধ্যে আটক ২

কক্সবাজার প্রতিনিধি। / ২৮৮ Time View
Update : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরের বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন পল্লানকাটা (পল্লাইন্যা কাটা) এলাকায় চাঁদা না দেওয়ার জের ধরে ছুরিকাঘাতে গণেশ পাল (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) বিকেল  দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গণেশ পাল ওই এলাকার বিশ্বনাথ পালের ছেলে। তিনি শহরের সমবায় মার্কেটে কাপড়ের দোকান এবং বড়বাজারে মুদি দোকান পরিচালনা করতেন। পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় সন্ত্রাসী জিসানের নেতৃত্বে গনেশ পালের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পাওয়ায় তারা গণেশ পালের বাড়িতে ঢুকে স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের সামনেই তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সনাতনী সমাজের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।

পুলিশের দ্রুত অভিযানে হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্ত জিসান (জিদান) ও তার সহযোগী বাদশা নামে দুজনকে আটক করেছে কক্সবাজার থানা পুলিশ । আটককৃতদের মধ্যে জিসানকে এলাকায় ছোটখাটো অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যার পুরো ঘটনা ও অন্যান্য জড়িতদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি জানান, এটি চাঁদাবাজি সংক্রান্ত ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd