• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেকনাফে সেনাসদস্যের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা: নেপথ্যে থাকা সেই ‘ডন’ আলম, জসিম ও রিদওয়ানরা কারা? মাছ ধরার আনন্দেও কাটছে না ভয়: টেকনাফের উপকূলবাসীর দ্বিমুখী জীবনসংগ্রাম টেকনাফে মা’দক সন্ত্রা’সীদের হাতে সেনা সদস্য গু’লি’বিদ্ধ, কক্সবাজারে বি’ক্ষো’ভ কক্সবাজারে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে বগুড়ার ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের লেদায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি: গুলিবিদ্ধ ১ অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেল কারবারিরা, টেকনাফে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজবাড়ীর যুবক আটক আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর ফেসবুক পেজের সেই ‘স্যরি’ পোস্টের পেছনের গল্প

ফেনীতে নির্বাচনি বিরোধে জামায়াত কর্মীর ওপর হামলা: দাড়ি উপড়ে ফেলা, স্ত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক। / ২৮৬ Time View
Update : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬


ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণার সময় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক জামায়াত কর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা ওই কর্মীর দাড়ি ধরে এলোপাতাড়ি লাঠিপেটা করে এবং তার দাড়ি উপড়ে ফেলে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার স্ত্রীকেও হেনস্তা করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভবানিপুর গ্রামে। আহত জামায়াত কর্মীর নাম নুরুল আবছার, তিনি স্থানীয় ইব্রাহীম মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা। অভিযুক্ত হামলাকারী যুবদল কর্মী বেলাল হোসেন পাশের বাড়ির বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী নুরুল আবছার জানান, জোহরের নামাজ শেষে ঘরে প্রবেশ করতেই যুবদল কর্মী বেলাল হোসেন হঠাৎ তার ঘরে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালান। দাড়ি ধরে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটানো হয় এবং মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়। তার স্ত্রী বাধা দিতে গেলে তাকেও হেনস্তা করা হয়।
নুরুল আবছারের স্ত্রী আরও জানান, এর আগেও নির্বাচনি প্রচারণার সময় একাধিকবার তার স্বামীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল অভিযুক্ত বেলালের পক্ষ থেকে।
দাগনভূঞা উপজেলা জামায়াতের আমির গাজী সালেহ উদ্দিন জানান, তারা বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করেছেন। আহত নুরুল আবছারকে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন বলেন, জনগণের ওপর কোনো ধরনের অত্যাচার মেনে নেওয়া হবে না। হামলাকারী দলের যত বড় ত্যাগী নেতা হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে বিএনপি বদ্ধপরিকর। কারো আচরণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে—এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd