বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশে ব্যাপক অত্যাচার চালিয়েছে, বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে এবং পেট্রোল, পাম্প, ট্যাংকসহ সবকিছু লুট করে নিয়ে গেছে। পাক সেনাদের সহযোগিতা কারা করেছিল জামাত, তা সবাই জানে।
তিনি নির্বাচনী প্রতিপক্ষের উদ্দেশে বলেন, আগে ১৯৭১ সালের জন্য মাফ চান, তারপর ভোট চান।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শেখ হাসিনার আমলে আমরা কোনো কাজ করতে পারিনি। পালিয়ে যাওয়ার পর এখন উন্নয়নের কাজ শুরু করেছি বলে দাবি করা হচ্ছে। আগে যেখানে ১০০ টাকা আয় হতো, এখন ২০০ টাকা আয় করাকেই উন্নয়ন বলা হচ্ছে। প্রকৃত উন্নয়ন হবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে এবং কৃষির উন্নতি ঘটলে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ভোটে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে বড় ভুল হবে। বিএনপি আগামীতে সরকার গঠন করবে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। তারেক রহমানকে ১৮ বছর দেশে আসতে দেয়া হয়নি। যেদিন প্রথম আসেন, সেদিন লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। প্রথম দিন স্টেজে উঠে তিনি বলেন, তার একটা পরিকল্পনা আছে—যা উন্নয়নের পরিকল্পনা।
তারেক রহমান মায়েদের উন্নতি করতে চান ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে, যার সাহায্যে ন্যায্যমূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা পাওয়া যাবে। কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সার-বিষ সহজে পাওয়া যাবে। তিনি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন।